লিখুন
ফলো

আমাদের নতুন খবর গুলো পেতে এখনি সাইন আপ করুন

ক্রিকেট বহুল প্রচলিত ব্যতিক্রমি সব শব্দ আর তাদের অর্থ

‘ক্রিকেট’ শব্দটাইতো ইংরেজি ভাষাভাষীদের বিভ্রান্ত করতে যথেষ্ট। ঝিঁঝিঁ পোকার পাশাপাশি আরো আছে হাঁস, খরগোশের প্রাণীদের নাম এই খেলাটিতে। কিছু শব্দ হরহামেশাই ব্যবহৃত হয়, আর কিছু শব্দ তুখোড় ক্রিকেটপ্রেমীদেরও ভ্রু কুঁচকাতে বাধ্য করবে। সেই সকল ক্রিকেটীয় শব্দের অর্থ নিয়েই আজকের এই আয়োজন।

ডাক (Duck): কোন ব্যাটসম্যান শূন্য রানে আউট হলেই টিভির পর্দায় দেখা যায় একটি হতাশ হাঁসকে, যে ব্যাট বগলদাবা করে মাঠ ছাড়ছে। ‘ডাক’ শব্দটির উৎপত্তি একেবারে প্রথম টেস্ট ম্যাচ থেকেই। যদিও প্রথমে এটিকে বলা হত ‘ডাক এগ’, হংসডিম্ব। ইংরেজ বোলার  জেমস লিলিহোয়াইটের বলে অজি ব্যাটসম্যান নেড গ্রেগরির শূন্য আউট হবার মধ্য দিয়েই ক্রিকেটীয় অভিধানে যুক্ত হয় এই শব্দটি। ডাকের আবার বেশ কয়েকটি রূপ আছে: ডায়মন্ড ডাক, গোল্ডেন ডাক, সিলভার ডাক, পেয়ার, কিং পেয়ার।

চায়নাম্যান (Chinaman): ক্রিকেটে এখনো পর্যন্ত চীনের অংশগ্রহণ না থাকলেও এই একটি শব্দের নামকরণই হয়ে গেছে তাদের নামে! এই শব্দের পেছনের মানুষটির নাম এলিস এগডার পুস আচং। বাঁহাতি এই স্পিনার তার এক অদ্ভুত বলে ইংরেজ ক্রিকেটার রবিন্স আউট হবার পর নাকি বলেছিলেন, “ফালতু চায়নাম্যানের এ এক খামখেয়ালী”। ব্যাস, এরপর থেকেই বাঁ-হাতি লেগ স্পিনারদের বা বাঁ-হাতে করা লেগ স্পিনকে বোঝাতে ‘চায়নাম্যান’ শব্দটি ব্যবহার করা হয়।

ক্রিকেট
চারজন চায়নাম্যান বোলার, Image source: cricketcountry

বক্সিং ডে (Boxing day): নাম শুনে বক্সিং বা মুষ্টীযুদ্ধের কথা মনে হলেও এর সাথে ক্রিকেটের ঘুষাঘুষির কোন সম্পর্ক নেই। প্রথাগতভাবে বড়দিনের পরের দিন অর্থাৎ ২৬ ডিসেম্বরকে বোঝানো হয় বক্সিং ডে হিসেবে। মূলত গরিব-দুঃখীদের মাঝে বিতরণের জন্য খ্রিষ্টান ধর্মালম্বীরা চার্চের সামনে বক্সে বিভিন্ন অনুদান দিয়ে থাকেন বলে দিনটিকে বলা হয় বক্সিং ডে।

ছুটির এই দিনে ক্রিকেট সহ চলে হকি, ফুটবল, রাগবিসহ আরো বিভিন্ন খেলার আসর। তবে ক্রিকেটে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নে অনুষ্ঠিত অস্ট্রেলিয়া আর সে গ্রীষ্মে অস্ট্রেলিয়া সফরে থাকা দলের মধ্যে ২৬ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত ম্যাচটিই বক্সিং ডে ম্যাচ হিসেবে পরিচিত এবং তাৎপর্যপূর্ণ। বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকাতেও বক্সিং ডে ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।

নেলসন (Nelson): আনলাকি থার্টিনের ক্রিকেটীয় ভার্সন এই নেলসন এটি একটি ক্রিকেটীয় কুসংস্কার। ক্রিকেটের স্কোর ১১১ বা এর গুণিতককে আনলাকি নেলসন বলা হয়। কথিত আছে ব্রিটিশ রয়াল নেভির হোরাসিও নেলসন যুদ্ধে এক চোখ, এক হাত এবং একটি পা হারান। এই কারণেই ১-১-১ এর এই বিশেষ নামকরণ নেলসন। ক্রিকেটে এই শব্দটি জনপ্রিয়তা পায় আম্পায়ার ডেভিড শেফার্ডের বদৌলতে। দলীয় বা ব্যক্তিগত স্কোর ১১১ হলেই তাকে দেখা যেত এক হাত শূন্যে মেলে এক পায়ে দাড়িয়ে থাকতে, যেন তিনি নেলসনের সেই অভিশাপ কাটানোর চেষ্টা করছেন।

বডিলাইন (Bodyline): ১৯৩২-৩৩ অ্যাশেজের আগে ক্রিকেটের এমন রূপ কেউ দেখেনি আগে। শুধুমাত্র ডন ব্র্যাডম্যানকে রুখতে ইংরেজ অধিনায়ক ডগলাস জার্ডিন বডিলাইন বা লেগ বিফোর থিওরি তত্ত্বটি নিয়ে হাজির হন। বডিলাইন বা ফার্স্ট লেগ থিওরির মূল বিষয়টা ছিল ব্যাটসম্যানের শরীর লক্ষ করে বল ছোড়া। সে সময়ে ব্যাটসম্যানেরা এখনকার মত এত প্যাড-গ্লাভস এমনকি হেলমেট পড়ত না। আবার লেগ সাইডে ফিল্ডারের সংখ্যা নিয়েও কোন নিয়ম-কানুন ছিল না। সেজন্য লেগ সাইডে ফিল্ডার রেখে ইংরেজ বোলার হ্যারল্ড লারউড এবং বিল ভোস ব্যাটসম্যানের শরীর লক্ষ করে দ্রুতগতিতে বল করে গেছেন। ব্যাটসম্যান তা ঠেকানোর চেষ্টা করতেই ওত পেতে থাকা ফিল্ডারকে দিয়ে দিতেন ক্যাচ। এভাবেই ক্রিকেট ইতিহাসে জায়গা করে নেয় কুখ্যাত বডিলাইন সিরিজটি। বডি লাইন শব্দটি প্রথম ব্যবহার করেন সিডনির সাংবাদিক হাগ বাগি।


ক্রিকেট
বডিলাইন সিরিজ, Image source: ESPNcricinfo

মানকাড (Mankad): ক্রিকেটে বৈধ অথচ অখেলোয়াড়সূলভ বলে আখ্যায়িত এই আউটের নামকরণ করা হয়েছে ভারতীয় ক্রিকেটার ভিনু মানকড়ের নামে। মূলত বোলার বল করার আগেই যদি নন স্ট্রাইকার ব্যাটসম্যান পপিং ক্রিজের বাইরে থাকেন আর বোলার বল না করে উইকেট ভেঙ্গে দেন তাহলে সেটিই মানকাড আউট। এটি প্রথম ঘটেছিল ১৯৪৭ সালের অস্ট্রেলিয়া-ভারত ম্যাচে, যেখানে ভিনু মানকড় এইভাবেই আউট করেন অজি ক্রিকেটার বিল ব্রাউনকে। সেই একই সফরে ব্রাউন আরো একবার একইভাবে আউট হন মানকড়ের হাতে। অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম এঘটনাকে অখেলোয়াড়সূলভ আখ্যায়িত করে তীব্র সমালোচনা করে। ব্যাস! এরপরেই এই ধরণের আউটকে রান আউটের বদলে মানকাড আউট বলা হয়।

Image source: cricket.com.au

নাইট ওয়াচম্যান (Night Watchman): টেস্ট ক্রিকেটে দিনের শেষভাগে দলের টপ অর্ডারের কোন উইকেট পড়ে গেলে দেখা যায় লোয়ার অর্ডারের কোন ব্যাটসম্যানকে  টপ বা মিডল অর্ডারে ব্যাট করতে পাঠানো হয়। এই বিশেষ ব্যাটসম্যানই পরিচিত হয় নাইট ওয়াচম্যান হিসেবে। মূলত দিনের শেষভাগে অল্প কয়েক ওভারে কোন ভাল ব্যাটসম্যানের তেমন আহামরি কিছু করার সূযোগ থাকে না। কিন্তু যদি তার উইকেটটি হারিয়ে ফেললে পরেরদিনের ব্যাটিংয়ে দলকে বেশ বড় অসুবিধায় ফেলতে পারে। তাই লোয়ার অর্ডারের একজন ব্যাটসম্যান সেখানে নামেন যার কাজই হলো কোনভাবে সেদিন ক্রিজে টিকে থাকা। তবে তাদের কৃতিত্বও কম নয়। এখন পর্যন্ত ছয়জন ‘নৈশ্য প্রহরি’ সেঞ্চুরি করেছেন টেস্ট ক্রিকেটে যাদের মধ্যে জেসন গিলেস্পির আছে বাংলাদেশের সাথে ডাবল সেঞ্চুরি করার গৌরব

ডাবল সেঞ্চুরি হাঁকানোর পর গিলেস্পি, Image source: India Times

হ্যাট্রিক (Hat-Trick): ফুটবল, হকি, হ্যান্ডবলসহ আরো নানা খেলায় এই শব্দটি ব্যবহৃত হলেও এর উৎপত্তি কিন্তু ক্রিকেটে। ১৮৫৮ সালে অল ইংল্যান্ড একাদশের হয়ে এইচ এইচ স্টিফেনস অভাবনীয় কিছু একটা করে দেখান। পর পর তিন বলে ্তিনি প্রতিপক্ষের তিনটি উইকেট তুলে নেন। তাই তার সেই কীর্তি স্মরণীয় রাখতে সেই সময়ের রীতি অনুযায়ী তাকে উপহার হিসেবে একটি টুপি বা হ্যাট দেয়া হয়। সেই থেকে প্রচলিত হয়ে আসছে ক্রিকেটে হ্যাট্রিক শব্দটি।

বানি (Bunny): ক্রিকেটে খরগোশ বা বানি শব্দটি দুইটি অর্থে ব্যবহৃত হয়। প্রথমত কোন এক ক্রিকেটার, যিনি ব্যাটিংয়ে অতটা পারদর্শী নন, কিন্তু তাকে দলে নেয়া হলো একজন বিশেষজ্ঞ বোলার বা উইকেটরক্ষক হিসেবে। এই বানি সাধারণত ১১ নম্বরে ব্যাট করতে নামেন।

আর দুই, কোন ব্যাটসম্যানের যদি কোন নির্দিষ্ট বোলারের বলিংয়ে দূর্বলতা থাকে এবং তিনি সেই বোলারের কাছেই বারবার আউট হন তাকে সেই বোলারের বানি বলে ডাকা হয়। যেমন ওয়াসিম আকরামের বানি ছিলেন শ্রীকান্ত।

বানি আথারটনের সঙ্গে ম্যাকগ্রা। Image source: BBC

কাউ কর্নার (Cow corner): এটা মাঠের একটি ফিল্ডিং পজিশন। ডিপ মিড উইকেট এবং ওয়াইড লং অনের মাঝের জায়গাটিকে বলা হয় কাউ কর্নার। ধারণা করা হয় ডলউইচ কলেজের মাঠ থেকেই এই শব্দটির উৎপত্তি। এই জায়গাটিকে বেশিরভাগ ব্যাটসম্যান বল পাঠাতে পারতেন না বলে ডলউইচ কলেজের মাঠের এই জায়গাটিতে গরু চড়ত। যদিও এখনকার টি টুয়েন্টির যুগে মাঠে গরু চড়ার সুযোগ নেই কিন্তু শব্দটি ক্রিকেটেই রয়ে গেছে।

Image source: Rookie

করিডর অব আনসার্টেনটি (Corridor Of Uncertainty):  ব্যাটসম্যানের জন্য অফ স্ট্যাম্পের সামান্য বাইরের একটি জায়গা। বলা হয়ে থাকে পিচের এই ছোট জায়গাটিতে বল পড়লে বল বাউন্স করে ব্যাটসম্যানকে দ্বিধায় ফেলে দিতে পারে যে বলটিকে সে আক্রমণ করবে নাকি না খেলে ছেড়ে দিয়ে উইকেট বাঁচাবে। এই টার্মটি ধারাভাষ্যকারেরা প্রায়ই ব্যবহার করে থাকে এবং এটি জনপ্রিয় করে তোলেন ব্রিটিশ ধারাভাষ্যকার জেফরি বয়কট ১৯৯০ সালের দিকে।

চিন মিউজিক (Chin music): বোলারের দ্রুত গতির বাউন্সার যখন ব্যাটসম্যানের গলা বা মাথার দিকে তেড়ে যায় তখন তাকে চিন মিউজিক বলে। এই শব্দটির উৎপত্তি ক্যারিবিয়ানে। এই ধরণের বল খেলা খুবই কষ্টকর যদিনা ব্যাটসম্যান দ্রুত ফুটওয়ার্ক করেন। তবে বেশিরভাগ সময় মাথা নুইয়ে বলটি ছেড়ে দেয়াই সমিচিন মনে হবে। কারণ বলটি ঠেকাতে গেলে বেশিরভাগ সময়েই ক্যাচ আউট হবার আশংকা থাকে।

ডিবলি–ডবলি বোলারস (Dibbly-dobbly bowlers): নিউজিল্যান্ডের ডিবলি–ডবলি বোলারদের রাজত্ব ছিল পুরো নব্বই দশক জুড়েই। এমন বোলার তারাই, যারা মিডিয়াম পেসার, কিন্তু ওডিয়াইতে তারা বিপক্ষের রানের চাকা আটতে দিতে দক্ষ। ১২০-১৩০ কি.মি/ঘন্টা বেগে শর্ট লেন্থে বল করা আর তাতে স্লোয়ার, কাটার, সুইং যোগ করে বৈচিত্র আনতে জুড়ি নেই তাদের। নিউজিল্যান্ডের বিখ্যাত চার ডিবলি–ডবলি বোলার রড ল্যাথাম, গ্যাভিন লারসেন, ক্রিস হ্যারিস এবং নাথান অ্যাশলের বোলিং বদৌলতেই ১৯৯২ বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে উঠতে পেরেছিল দলটি

আরো পড়ুনঃ

চলুন আপনাকে ক্রিকেট শূন্যের কিছু বলি

জীবন বিক্রি তারপর ইচ্ছা পূরণের গল্প

দ্যা ম্যান্ডালোরিয়ান সিজন ২ঃ কেমন ছিলো বেবি ইয়াডোকে নিয়ে ডিন জারিনের নতুন অ্যাডভেঞ্চার



জুটার (Zooter): এটি একপ্রকার স্পিন বোলিং যার প্রথম উদ্ভাবন করেন শেন ওয়ার্ন। এতে বোলার বল করার সময় হাল্কা বা একেবারেই কোন স্পিন যোগ করতেন না যাতে করে বল যতটা বাউন্স করার কথা ততটা না করে ব্যাটসম্যানকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলত। অনেকের ধারণা আসলে জুটার বলতে কিছুই নেই, এটা শুধু প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানকে ভয়ে রাখতেই এমনটা করেছেন ওয়ার্ন।

ওয়াক টু (Walk to): আম্পায়ার সিদ্ধান্ত দেয়ার আগেই কিংবা আম্পায়ারের ভুল করে নট আউট দিলেও ব্যাটসম্যানের নিজেকে নিজের আউট দেয়াকে বলে ওয়াক টু। সবচাইতে বিখ্যাত হয়ে আছে ২০০৩ বিশ্বকাপে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে অ্যাডাম গিলক্রিস্টের সেই আউটটি। যেখানে আম্পায়ার নট আউট দেয়া স্বত্তেও মাঠ ছাড়েন গিলক্রিস্ট।

আম্পায়ার নট আউট দেয়ার পরেও মাঠ ছাড়ছেন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট, Image source: Fox sports

টিপট\ডাবল টিপট: (Teapot): কোমরে দুই হাত দিয়ে ফাস্ট বোলারের দাঁড়ানোর ভঙ্গি। সাধারণত ক্যাচ মিস, বাউন্ডারি কিংবা ফিল্ডিং মিস হলে তারা এভাবে দাঁড়িয়ে হতাশা প্রকাশ করেন।

টেইলএন্ডার (Tailender): যেসকল ক্রিকেটার ৮, ৯, ১০ এবং ১১ নম্বরে ব্যাট করতে নামেন তাদের টেইলএন্ডার বলা হয়। সাধারণত ধরে নেয়া হয় তারা ব্যাটিংয়ে এতটা পারদর্শী নন, একই ভাবে তারা বেশ ভাল বোলার।

স্টোনওয়াল (Stonewall): যখন ব্যাটসম্যান সবকিছুর উর্ধে যেকোন মূল্যে তার উইকেট বাঁচানোকেই বেশি প্রাধান্য দেন তখন তাকে স্টোনওয়াল বলে।

জ্যাফা (Jaffa): যে বল এতই অসাধারণ যে তাতে ব্যাটসম্যানের অসহায় আত্মসমর্পণ করা বাদে কিছুই করার থাকে না।

স্যান্ডসু ক্রাশার (Sandshoe crusher): ইয়র্কার আরেক নাম। যে বল একেবারে ব্যাটসম্যানের পা লক্ষ্য করে ছুটে যায় এবং তাতে আঘাত করে তাকে এই নামে ডাকা হয়।

বোসি (Bosie): অস্ট্রেলীয়ানরা গুগলিকে এর জনক বার্নার্ড বোসানকোয়েটের নামে বোসি বলে ডাকত।

অন দ্য আপ: বল পিচে পড়ে ওঠার পথেই শট খেলাকে অন দ্য আপ বলে। ভিভ রিচার্ডস খুব ভালো খেলতেন এই শট।

ট্রান্ডলার (Trundler): যে বোলার আগে খুব দ্রুত গতির বল করতেন কিন্তু সময়ের সাথে সাথে তার বলের গতি কমে গেছে তাকে ট্রান্ডলার বলে। সাধারণত বয়স বেড়ে গেলে, ইনজুরিতে পড়লে বা কোন সার্জারির পর এমনটা হয়ে থাকে।

ডলি (Dolly): একেবারেই সহজ ক্যাচকে ডলি বলা হয়।

গার্ডেনিং (Gardening): ব্যাটসম্যান যখন তার ব্যাট দিয়ে পিচের অসমতল অংশ ঠিক করে।

হেভি বল (Heavy ball): প্রত্যাশার চাইতে যখন বল বেশি দ্রুত আসে কিংবা বাউন্স করে।

পুডিং (Pudding) যে পিচে দ্রুত রান তোলা বেশ কষ্টসাধ্য।

শার্টফ্রন্ট (Shirtfront): ব্যাটসম্যানদের প্রিয় উইকেট। সাধারণত নির্জীব পিচ যেটায় বোলার তেমন কোন সুবিধা করতে পারেনা। এর আরেকনাম ফেদারবেড।

মিলিটারি মিডিয়াম (Military Medium): যেসকল পেস বোলারের বলে তেমন কোন গতি নেই ব্যাটসম্যানকে ভড়কে দেয়ার মত, কিন্তু তারা সঠিক লাইন এবং লেন্থে বল করে তাদের দলের প্রয়োজনে উইকেট ফেলতে পারে। তারা টেস্ট ক্রিকেটের চাইতে ওডিয়াইতেই বেশি কার্যকর হিসেবে পরিচিত। স্টিভ ওয়াহ, মুদাসসের নাজার, গেভিন লারসন মিলিটারি মিডিয়াম বোলার।

ডাকওয়ার্থ-লুইস (Duckworth-Lewis): ক্রিকেট খেলায় বৃষ্টি হলেই মনে পড়ে এই দুইটি নাম। ফ্রাঙ্ক ডাকওয়ার্থ এবং টনি লুইস দুইজনেই ইংরেজ পরিসংখ্যানবিদের নাম, যাদের কারণেই পাল্টে গেছে ক্রিকেটে বৃষ্টি আইনের সংজ্ঞা। তাদের আগে ক্রিকেটে বৃষ্টিবিঘ্নিত ম্যাচের ফলাফল নির্ণয়ের জন্য ব্যবহার করা হয়েছে অনেক পদ্ধতি, যার সবগুলোতেই ছিল অনেক বড় সড় সমস্যা। যার সবচাইতে বড় শিকার ১৯৯২ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপরেই ডাকওয়ার্থ এবং লুইস এমন এক সমীকরণ ব্যবহার করেন যেটি এখনও পর্যন্ত সবচাইতে গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত। যদিও এটিতেও যে সমস্যা নেই তাও নয় যার কারণে অধ্যাপক স্টিভেন স্টার্ন এ পদ্ধতির আরও সংস্কার করেন। যার কারণে ২০১৪ সাল থেকে এর নতুন নামকরণ করা হয় ডাকওয়ার্থ-লুইস-স্টার্ন বা ডিএলএস মেথড।

টনি লুইস এবং ফ্রাঙ্ক ডাকওর্থ, Image source: BBC

হিট দ্য ডেক (Hit the deck): বলকে একটু উঁচু থেকে ছেড়ে পিচ থেকে অতিরিক্ত বাউন্স আদায় করার কৌশল।

This is a Bangla article. Here, everything is written about glossary of cricket term.

All links are hyperlinked.

Featured image taken from ESPNcricinfo


Total
0
Shares
Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

 
Previous Article

ডেথ ইন দ্যা গুঞ্জ (2016) : বালকের পুরুষত্ব অর্জনের কাফকায়েস্কে গল্প

Next Article

অর্থ সম্পর্কে যে ১২টি বিষয় খেয়াল রাখা উচিৎ

 

আমাদের নিউজলেটার জন্য সাইন আপ করুন

আমাদের নতুন খবর গুলো পেতে এখনি সাইন আপ করুন

Sign Up for Our Newsletter