লিখুন
ফলো

আমাদের নতুন খবর গুলো পেতে এখনি সাইন আপ করুন

২০২২ বিশ্বকাপকে ঘিরে নির্মিত কাতারের দৃষ্টিনন্দন স্টেডিয়াম সমূহ

বর্তমান বিশ্বে কাতার সবচেয়ে ধনী দেশ। দেশটির মোট জনসংখ্যা ২৫ লাখের মতো। সম্পদশালী এই ক্ষুদ্র দেশটি বর্তমান বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী রাষ্ট্রে পরিণত হয়েছে। ছোট্ট আয়তনের এই দেশটিতে বিপুল পরিমাণ তেল, গ্যাস এবং খনিজ সম্পদের মজুদের কারণে খুব দ্রুতই তারা অর্থনীতির চরম শিখরে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছে। ২০১৬ সালের ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের প্রতিবেদন অনুযায়ী কাতারের মাথাপিছু আয় ১ লক্ষ ৩০ হাজার মার্কিন ডলার, যা পৃথিবীর মধ্যে সর্বোচ্চ। শুধুমাত্র দেশটির সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল-থানির সম্পদের পরিমাণই ২.৪ বিলিয়ন ডলার।

বর্তমানে কাতার পৃথিবীর সবচেয়ে ধনী দেশ; image: getty image

আঞ্চলিক শক্তিমত্তা বৃদ্ধির পাশাপাশি কাতার বিশ্বব্যাপী তাদের প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে যাচ্ছে। ক্রীড়া জগতের সবচেয়ে বড় আসর ফুটবল বিশ্বকাপের আয়োজন তাদের প্রভাব প্রতিপত্তি বৃদ্ধিরই একটা অংশ। গত এক দশকে লন্ডনে প্রচুর সম্পদ কিনেছে কাতার।

কয়েকমাস আগে কাতারের অর্থমন্ত্রী বিবিসিকে জানিয়েছিলেন, যুক্তরাজ্যে তাদের বিনিয়োগের পরিমাণ ৪৫ থেকে ৫১ বিলিয়ন ডলারের মতো।তিনি জানান, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আরো পাঁচ বিলিয়ন পাউন্ডের মতো সম্পদ ক্রয়ের ইচ্ছা আছে মধ্যপ্রাচ্যের এ দেশটির।

২০২২ সালে বিশ্বকাপের আয়োজন করতে যাচ্ছে কাতার। বিশ্বের সবচেয়ে ধনী দেশে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপকে ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহটা যেন একটু বেশিই। তো চলুন জেনে নেয়া যাক ২০২২ সালের বিশ্বকাপ ঘিরে কাতারের পরিকল্পনা।

আঞ্চলিক বিরোধে সৃষ্ট নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেই কাতারের ২০২২ বিশ্বকাপ ফুটবল আয়োজনের প্রস্তুতি জোরশোরে চলছে৷ ইরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা এবং সন্ত্রাসবাদের মদদ দাতার অভিযোগ তুলে সৌদি আরব নেতৃত্বাধীন জোট তিন বছর আগে কাতারের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করে৷ সে সময় দোহা সব অভিযোগ অস্বীকার করেছিল৷

২০১৭ সালের ৫ জুন সৌদি আরব, বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিশর কাতারের সঙ্গে সব ধরনের কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে এবং দেশটির জন্য তাদের আকাশ সীমা বন্ধ করে দেয়৷ তারপর নানা সময়ে উভয় পক্ষ থেকে উদ্যোগ নেওয়া হলেও বিরোধের নিষ্পত্তি এখনো হয়নি৷ তবে গত বছর সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইন দোহায় একটি আঞ্চলিক ফুটবল টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছিল৷

কাতার মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম ক্ষুদ্র দেশ; image: wikimedia commons

২০০৬ সালে এশিয়ান গেমসের আয়োজন করলেও ফুটবলের সবচেয়ে বড় উৎসব বিশ্বকাপ আয়োজনের দায়িত্ব কাতার এর আগে কখনো পায়নি৷ কিন্তু ২০২২ সালে সেই ভারই পড়েছে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির ওপর৷ রাজনৈতিক দিক দিয়ে বরাবরই কাতার শান্তিপূর্ণ৷ সন্ত্রাসবাদের কোনো বড় ঘটনাও সেখানে ঘটেনি৷ দেশের ভেতরে অপরাধের সংখ্যাও তেমন গুরুতর নয় বলেই আয়োজকরা বেশ নিশ্চিন্ত৷ কিন্তু ফুটবল বিশ্বকাপের মতো এত বড় মাপের আয়োজন স্থানীয় কর্তৃপক্ষ কীভাবে সামলাবেন, তা নিয়ে বিশ্বের ফুটবল ফ্যানদের মধ্যে যথেষ্ট আগ্রহ দেখা যাচ্ছে৷

সাধারণত, ফুটবল বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হয় জুন বা জুলাইয়ের মতো গ্রীষ্মকালীন মাসেই৷ কিন্তু কাতারে গ্রীষ্মকালে তাপমাত্রা বেড়ে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস হতে পারে বলেই ২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজিত হবে নভেম্বর ও ডিসেম্বরে৷ তখন তাপমাত্রা থাকবে আনুমানিক ২৫ থেকে ৩০ ডিগ্রির কাছাকাছি৷

ফুটবলের সাথে বিয়ারের সম্পর্ক ভালো করেই জানেন ইউরোপের ফুটবল ফ্যানরা৷ কিন্তু কাতারে শুধু হাতেগোনা কয়েকটি পানশালা ও হোটেলেই বিক্রি হয় মদ৷ সে কারণে বিশ্বকাপ চলাকালীন স্টেডিয়ামের ভেতরে বা বাইরে মদ পাওয়া যাবে কি না, এই নিয়ে সংশয় রয়েছে৷ এমনিতেই কাতারে রয়েছে অসংখ্য হোটেল৷ ঝাঁ চকচকে পাঁচতারা হোটেল থেকে মাঝারি বা কম বাজেটের হোটেলও সেখানে প্রচুর৷ কিন্তু বিশ্বকাপ দেখতে আসবেন সারা পৃথিবীর অসংখ্য মানুষ৷ ফলে, দেশজুড়ে এখনই শুরু হয়ে গেছে অজস্র নতুন হোটেল নির্মাণের কাজ৷

কাতারের রাজধানী দোহা’র তিন চার স্টেডিয়ামেই অনুষ্ঠিত হবে ফুটবল বিশ্বকাপের বেশিরভাগ ম্যাচ৷ কিন্তু এছাড়াও আরেকটি স্টেডিয়ামে আয়োজিত হবে কয়েকটি খেলা, যার দূরত্ব শহর থেকে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার৷ এই সমস্যার সমাধান করতে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ইতিমধ্যেই লেগে পড়েছেন দ্রুতগামী মেট্রোরেল, নতুন রুটের বাস ও ট্যাক্সির উদ্বোধনে৷

বিদেশি নারীদের পোশাকের ওপর কোনো বাধা-নিষেধ না থাকলেও দেশের নারীদের অবশ্যই ইসলামের রীতি মেনেই পোশাক পড়তে হবে৷ পড়তে হবে হিজাব নিকাবসহ পরিপূর্ণ ইসলামে পোশাক৷ কিন্তু অন্য নারীদের পোশাক নিয়ে নেই কোনো বিধি নিষেধ৷

কাতারের স্টেডিয়াম সমূহ

২০২২ বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে কাতার মোট ৮টি স্টেডিয়াম নিয়ে কাজ করছে। এর মধ্যে বেশিরভাগ স্টেডিয়াম নির্মাণের কাজ সমাপ্ত হয়েছে। আর যেগুলোর নির্মাণকাজ এখনো সমাপ্ত হয়নি সেগুলোও আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই সমাপ্ত হয়ে যাবে।

খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম

খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়াম; image: FIFA

কাতার বিশ্বকাপ-২০২২ এর মোট ৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে খলিফা ইন্টারন্যাশনাল স্টেডিয়ামে। ৪০ হাজার ধারণ ক্ষমতাসম্পন্ন এই স্টেডিয়ামটির ডিজাইন এবং নির্মাণশৈলী চোখ ধাঁধানো। স্টেডিয়ামের সঙ্গে থাকবে বিশাল পার্কিং লট, বিলাসবহুল হোটেল এবং আধুনিক সব ধরণের সুযোগ-সুবিধা। এটি একটি বহুমুখী স্টেডিয়াম। অর্থাৎ শুধু ফুটবল নয়, বিভিন্ন ধরনের খেলা এখানে অনুষ্ঠিত হতে পারবে। মোট ৮টি স্টেডিয়ামের এটি প্রথম স্টেডিয়াম। মোট ৮টি ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হবে।

ধারণক্ষমতা: ৪৫,৪১৬
অবস্থান: দোহা
উদ্বোধন: মে, ২০১৭

আল-জানিয়্যুব স্টেডিয়াম

আল জানিয়্যুব স্টেডিয়াম; image: FIFA

২০২২ বিশ্বকাপের জন্য নির্মিত আল-জানিয়্যুব স্টেডিয়ামের নির্মাণশৈলী চমৎকার। প্রথম এবং দ্বিতীয় রাউন্ডের বেশ কয়েকটি ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হবে। আল-জানিয়্যুব স্টেডিয়ামটি পূর্বে আল-ওয়াকরাহ স্টেডিয়াম নামে পরিচিত ছিল। পরে নতুন করে নির্মাণ কাজ শেষ হলে ১৬ই মে, ২০১৯ সালে উদ্বোধন করা হয়। ২০২২ বিশ্বকাপের আটটি স্টেডিয়ামের মধ্যে এটি দ্বিতীয়। এটি ইরাকি-ব্রিটিশ স্থপতি জাহা হাদিদ ডিজাইন করেছিলেন। মোট ৭টি ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হবে।

ধারণক্ষমতা: ৪০,০০০
অবস্থান: আল ওয়াকরাহ
উদ্বোধন: মে, ২০১৯

এডুকেশনাল সিটি স্টেডিয়াম

এডুকেশনাল সিটি স্টেডিয়াম; image FIFA

বিশ্ববিদ্যালয় এবং গবেষণা ক্যাম্পাসের কারণে ওই এলাকার নাম দ্য এডুকেশন সিটি গ্রাউন্ড, সেই নাম অনুসারে স্টেডিয়ামের নাম রাখা হয়েছে৷ এই স্টেডিয়ামে গত ১৮ই ডিসেম্বর ‘ক্লাব ওয়ার্ল্ড কাপ’ ফুটবলের সেমিফাইনাল ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিশ্বকাপের সূচি অনুযায়ী এই মাঠে কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচ হওয়ার কথা৷ স্টেডিয়ামের দর্শক আসন ৪০ হাজার৷ অন্যান্য স্টুডিয়াম এর মত এই স্টেডিয়ামের নির্মাণ শৈলী এবং নকশা চমৎকার। এটি ২০২২ বিশ্বকাপের তৃতীয় স্টেডিয়াম। এ স্টেডিয়ামে মোট ৮টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে।

ধারণক্ষমতা: ৪০,০০০
অবস্থান: এডুকেশনাল সিটি
উদ্বোধন: জুন, ২০২০ সাল

আল-বাইত স্টেডিয়াম

আল-বাইত স্টেডিয়াম; image source: FIFA

ফিফা বিশ্বকাপ-২০২২ এর উদ্বোধনী ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে আল-বাইত স্টেডিয়ামে। ম্যাচটি শুরু হবে ২১ নভেম্বর বিকাল ৪টায় (কাতারের সময়)। আল-বাইত স্টেডিয়ামের নির্মাণশৈলী একেবারেই ভিন্ন। এই স্টেডিয়ামটি সেমিফাইনাল পর্যন্ত দর্শকদের মাতিয়ে রাখবে। স্টেডিয়ামে থাকবে সবধরনের আধুনিক সুযোগ-সুবিধা, বিশাল পার্কিং লট এবং বিলাসবহুল হোটেল। স্টেডিয়ামের চারপাশ দিয়ে বৃত্তের মত প্রশস্ত সড়ক এবং মাঝখানে থাকবে স্টেডিয়াম এর মূল কাঠামো। তাছাড়া পৃথিবীর একমাত্র এই স্টেডিয়ামটি উপর থেকে ঢেকে দেওয়া যাবে। মোট আটটি স্টেডিয়ামের এটি চতুর্থ স্টেডিয়াম। স্টেডিয়ামটিতে থাকবে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। পৃথিবীর ইতিহাসে যা প্রথম দেখবে ফুটবলপ্রেমীরা। মোট ৯টি ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হবে।

ধারণক্ষমতা: ৬০,০০০
অবস্থান: আল খর সিটি
উদ্বোধন: মে ২০১৯

আহমাদ বিন আলী স্টেডিয়াম

আহমাদ বিন আলী স্টেডিয়াম; image FIFA

২০২২ বিশ্বকাপ উপলক্ষে নির্মিত স্টেডিয়ামগুলোর মধ্যে এটি অবস্থান পাঁচ নম্বরে। অবশ্য ইতিমধ্যে এটির নির্মাণ কাজ সমাপ্ত হয়েছে। এই স্টেডিয়ামে বসে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত খেলা উপভোগ করা যাবে। চমৎকার নির্মাণশৈলী এবং আকর্ষণীয় ডিজাইনের এই স্টেডিয়ামটি যেকোনো ফুটবলপ্রেমীকে আকৃষ্ট করতে সক্ষম। মোট ৭টি ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হবে।

ধারণক্ষমতা: ৪০,০০০
অবস্থান: আল-রাইয়ান
উদ্বোধন: ১৮ই ডিসেম্বর, ২০২০

আল-থুমামা স্টেডিয়াম

আল থুমামা স্টেডিয়াম; image: FIFA

স্টেডিয়ামের নির্মাণশৈলীর মাধ্যমে কাতার তাদের ইতিহাস ঐতিহ্য ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করছে তার উদাহরণ এই স্টেডিয়ামটি। স্টেডিয়ামটি দেখতে অনেকটা টুপির ন্যায় যা কাতারে সবচেয়ে বেশি দেখা যায়। ধবধবে সাদা রঙের এই স্থাপনাটি যেন মুসলমানদের একটা টুপি। এই স্টেডিয়াম থেকে কোয়ার্টার ফাইনাল পর্যন্ত খেলা উপভোগ করা যাবে। এটি ২০২২ বিশ্বকাপের ষষ্ঠ স্টেডিয়াম। মোট ৮টি ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হবে।

ধারণক্ষমতা: ৪০,০০০
অবস্থান: দোহা
উদ্বোধন: নির্মাণাধীন

রাস আবু আবউদ স্টেডিয়াম

রাস আবু আবউদ স্টেডিয়াম; image: FIFA

রাস আবু আবউদ স্টেডিয়ামটি ফুটবল বিশ্বকাপের ইতিহাসের প্রথম সম্পূর্ণ ডিমাউন্টেবল টুর্নামেন্ট ভেন্যু হবে। এখানে ২০২২ সালের কাতার চলাকালীন প্রথম ১৬টি ম্যাচের বেশ কয়েকটি অনুষ্ঠিত হবে। এই স্টেডিয়ামের নির্মাণ সামগ্রী এবং নির্মাণশৈলী পৃথিবীর মধ্যে অনবদ্য। কেননা, এই স্টেডিয়াম নির্মাণে শিপিং কন্টেইনের ব্যবহার করা হচ্ছে যা পৃথিবীতে প্রথম। মোট আটটি স্টেডিয়ামের এটি সপ্তম স্টেডিয়াম। মোট ৭টি ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হবে।

ধারণক্ষমতা: ৪০,০০০
অবস্থান: দোহা
উদ্বোধন: নির্মাণাধীন

লুসাইল স্টেডিয়াম

লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়াম; image: FIFA

বিশ্বকাপকে ঘিরে কাতারের সবচেয়ে বড় আয়োজন হলো লুসাইল স্টেডিয়ামে। বিশাল আয়তনের এই স্টেডিয়ামটির ডিজাইন পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে আধুনিক এবং বৈচিত্র্যময় বললেও ভুল হবে না। এমন স্টেডিয়াম বিশ্ববাসী ইতিপূর্বে আর কখনোই দেখেনি। ব্যতিক্রমী এবং অনবদ্য এই স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে ২০২২ সালের ফাইনাল ম্যাচ। স্টেডিয়ামটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে ২০১৭ সালের এপ্রিলে। নির্মাণকাজ সমাপ্ত হবে ২০২১ সালের মে মাসে। স্টেডিয়ামটি ডিজাইন করেছে ব্রিটিশ ফার্মের অধীনে ফস্টার+পার্টার এবং মনিকা আর্কিটেকচার্রস। কাতার ফুটবল এসোসিয়েশন এর পরিচালনায় বিশ্বের সবচেয়ে আকর্ষনীয় এই আইকনিক স্টেডিয়ামটি নির্মিত হচ্ছে। মোট ১০ টি ম্যাচ এখানে অনুষ্ঠিত হবে।

ধারণক্ষমতা: ৮০০০০
অবস্থান: দোহা
উদ্বোধন: নির্মাণাধীন


Bangla Article. This is About Qatar’s most spectacular stadiums for world cup-2022

All the references are hyperlinked within the article.

Featured Image: FIFA

Total
0
Shares
Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

 
Previous Article

কোভিড-১৯ কিভাবে বৈশ্বিক স্টার্টআপ দৃশ্যকে প্রভাবিত করেছে

Next Article

অবশেষে সহায়তা বিলে স্বাক্ষর করলেন ট্রাম্প

 

আমাদের নিউজলেটার জন্য সাইন আপ করুন

আমাদের নতুন খবর গুলো পেতে এখনি সাইন আপ করুন

Sign Up for Our Newsletter