লিখুন
ফলো

আমাদের নতুন খবর গুলো পেতে এখনি সাইন আপ করুন

কিউএ্যানন এবং মার্কিন কংগ্রেস ভবনে হামলার ইতিহাস

গণতন্ত্র এবং পুঁজিবাদের আদিভূমি বলা হয় যুক্তরাষ্ট্রকে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উদারনৈতিক গণতন্ত্র চর্চা বিশ্বের যেকোনো দেশের জন্য অনুকরণীয়। বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রবিজ্ঞানীরা আদর্শ গণতান্ত্রিক দেশের উদাহরণ দিতে গিয়ে বারবারই যুক্তরাষ্ট্রের কথা টেনে আনেন। প্রশ্ন হলো তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র কি কখনো হোঁচট খায়নি?

সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্প সমর্থকরা কংগ্রেস ভবন এবং ক্যাপিটল হলে ভারী অস্ত্র হতে যে নজিরবিহীন হামলা চালিয়ে তা মার্কিন ইতিহাসে বিরল হলেও একেবারেই নতুন নয়। তবে এবারের মতো একে-৪৭, এম-১৬, এআর-১৫ এর মতো আধুনিক অস্ত্রহাতে কংগ্রেস ভবনে গোলাগুলির ঘটনা ইতিপূর্বে এতটা বিপর্যয় সৃষ্টি করেনি। পাঠক, শিরোনাম দেখেই নিশ্চয় অনুধাবন করতে পেরেছেন আমাদের আজকের আলোচনার বিষয়বস্তু সম্পর্কে। হ্যাঁ, আজকে আমরা আলোচনা করব মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে এপর্যন্ত যতবার কংগ্রেস ভবনে হামলা হয়ে সেই সম্পর্কে। তার আগে আপনাদের সাথে পরিচয় করিয়ে দেব ‘কিউএ্যানন’ নামে একদল কন্সপিরেসি থিওরিষ্ট বা ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাসীদের সাথে।

কিউএ্যানন কারা?

‘গুজবে কান দিবেন না’ এই কথাটি বাংলাদেশের জন্য যেমন প্রযোজ্য ঠিক একইভাবে শতভাগ সাক্ষরতার হার এবং Human Development Index এর শীর্ষে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রেও সমানভাবে প্রযোজ্য। অর্থাৎ, আধুনিক বিশ্বের শিখরে থাকা যুক্তরাষ্ট্রকেও প্রতিনিয়ত গুজব রটনাকারীদের সাথে লড়াই করতে হয়।

এই যে দেখুন সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রে যে ভয়ঙ্কর হামলা এবং বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়ছে এর পেছনেও দায়ী গুজব। তাও সাধারণ মানের গুজব নয়, একেবারে অতিমানবীয় প্রকৃতির গুজব। এই গুজব সৃষ্টিকারীরা এক ধরনের ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাস করেন, তাই এদেরকে বলা হয় ‘কিউএ্যানন’ কন্সপিরেসি থিওরিষ্ট

কংগ্রেস ভবনের মধ্যে একজন কিউএ্যানন সদস্য; nytimes.com
কিউএ্যানন হলো ডোনাল্ড ট্রাস্পের অন্ধভক্তদের মধ্যে একটি দল। তারা বিশ্বাস করে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এক গোপন যুদ্ধ চালাচ্ছেন। যুদ্ধটা মার্কিন সরকার, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং সংবাদ মাধ্যমের জগতের মধ্যে ঘাপটি মেরে থাকা কিছু লোকের বিরুদ্ধে।
এই লোকেরা এলিট শ্রেণীর, সমাজের উঁচু স্তরের। তাই কেউ তাদের বিরুদ্ধে কথা বলে না। তারা শয়তানের উপসনা করে এবং পিডোফাইল, অর্থাৎ শিশুকামী।

এটাই মূল গল্প, তবে এর বহু শাখাপ্রশাখা রয়েছে, এবং এর সাথে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন গল্প যোগ হচ্ছে। প্রতিনিয়ত যোগ হচ্ছে নতুন নতুন গুজব। এসব উদ্ভট গল্পে বিশ্বাস করে হাজার হাজার লোক। তাদের বিশ্বাস একদিন হিলারি ক্লিনটনের মত কিছু বিখ্যাত লোককে এসব অভিযোগে গ্রেফতার করে তাদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে।

তারা মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের ডেমোক্রেটিক পার্টির এলিট শ্রেণীর নেতারা শিশু পাচারের একটা চক্র পরিচালনা করছেন। ডেমোক্রেটিক প্রেসিডেন্ট প্রার্থী জো বাইডেনের বিরুদ্ধে আনা হয়েছে শিশু নিপীড়নের অভিযোগ। তারা বিশ্বাস করেন জো বাইডেন একজন পিডোফাইল বা শিশুকামী।

কিউএ্যানন হলো ট্রাম্পের অন্ধভক্তদের একটি দল; image: nytimes.com

কিউএ্যানন এর সদস্যারা বিশ্বাস করেন এখন যুক্তরাষ্ট্রের একমাত্র রক্ষাকর্তা ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিভিন্ন পোস্টে দাবি করা হচ্ছে – ওই সব শিশু পাচারকারীদের হাত থেকে আমেরিকাকে রক্ষা করতে পারেন একমাত্র ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিউএ্যানন হচ্ছে ষড়যন্ত্র তত্ত্বের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয়। বিবিসির এক জরিপে দেখা গেছে, ফেসবুকে এ নিয়ে মন্তব্য, শেয়ার এবং লাইক হয়েছে ১০ কোটিরও বেশি।

ফেসবুকে সবচেয়ে বড় কিউএ্যানন গ্রুপটির লাইক, কমেন্ট ও শেয়ারের সংখ্যা ৪ কোটি ৪০ লাখ। তুলনা করে দেখা যায়, ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটারের মতো বিশ্বব্যাপি সাড়া তোলা আন্দোলনের যে প্রতিক্রিয়া হয়েছিল, কিউএ্যাননের প্রতিক্রিয়া তার প্রায় দু-তৃতীয়াংশ।

সামাজিক মাধ্যম কোম্পানিগুলো শুরুতে এটা ঠেকানোর চেষ্টা করেছিল কিন্তু সমর্থকরা নানা কৌশলে, নতুন নতুন হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে আবার ফেসবুক, ইন্সটাগ্রাম আর টুইটারের সাধারণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। আর এই গুজব জনসাধারণের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ায় মার্কিন ইতিহাসে সবচেয়ে ভয়াবহ এই আন্দোলন সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি অসংখ্য কিউএ্যানন সদস্যদের উদ্ভট বেশভূষায় অস্ত্র হাতে কংগ্রেস ভবনে হামলা করতে দেখা গেছে।

নির্বাচনী প্রচারণায় ডোনাল্ড ট্রাম্প; image: getty image

কংগ্রেস ভবনে হামলার ঘটনা এবারই প্রথম নয়। ইতিপূর্বেও বেশ কয়েকবার এমন হামলা সংঘটিত হয়েছে। নিচে কয়েকটি হামলার বর্ণনা দেয়া হলো।

১৮১৪ সালের হামলা

সমুদ্র বাণিজ্য নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ১৮১২ সালে ব্রিটেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছিল। ইউএস ক্যাপিটল হিস্টোরিক্যাল সোসাইটির পরিচালক স্যামুয়েল হলিডে বলেন, এরকম অ-সংগঠিত না হলেও যুক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের ওপর ২০০ বছর আগেও একবার হামলা চালানো হয়েছিল।

ব্রিটিশদের সাথে আমেরিকানদের যুদ্ধ তখন তুঙ্গে। যুদ্ধের এক পর্যায়ে ব্রিটিশরা আমেরিকানদের ধরাশায়ী করে ফেলে। ১৮১৪ সালে ব্রিটিশ বাহিনী ওয়াশিংটন ডিসির প্রতিরক্ষাব্যুহ ভেদ করে এবং এবং অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে শহরে প্রবেশ করতে থাকে। তারা ক্যাপিটল ভবন ও অন্যান্য কিছু ভবনে আগুন লাগিয়ে দেয়। অ্যামেরিকানদের চোখের সামনেই পুড়িয়ে ছাই করে দেওয়া হয় কংগ্রেস ভবন। ক্যাপিটাল হিল এবং কংগ্রেস ভুবনে তুমুল ভাঙচুরও চালানো হয়।

১৯১৪ সালের হামলার চিত্র; image: bbc.com
যুক্তরাষ্ট্র সেনেটের ইতিহাস অনুযায়ী, “ব্রিটিশ সৈন্যরা মশাল এবং গানপাউডার দিয়ে ক্যাপিটল ভবন, প্রেসিডেন্টের বাসস্থান এবং অন্যান্য সরকারি দফতর পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়।” সেই আগুন থেকে শুধুমাত্র একটি মেহগনি কাঠের ডেস্ক রক্ষা পেয়েছিল – যা ২০০ বছর ধরে এখনও সেনেট চেম্বারে শোভা পাচ্ছে। অবশেষে ঘেন্ট শান্তি চুক্তির মধ্য দিয়ে ব্রিটেন-আমেরিকার ঐ যুদ্ধের অবসান ঘটে।

১৯১৫ সালের হামলা

প্রথম হামলার পর দ্বিতীয় হামলাটি ঘটে প্রায় ১০০ বছর পরে। ১৯১৫ সালের ২রা জুলাই মধ্যরাতের কিছু আগে সেনেট রিসেপশন চেম্বারে একটি বোমা বিস্ফোরিত হয়। এতে কেউ হতাহত হয়নি। তবে ভবনের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জার্মান বিভাগের একজন সাবেক অধ্যাপক এরিখ মেনটার ডায়নামাইট ব্যবহার করে এই বিস্ফোরণ ঘটান। তিনি লিখেছিলেন, প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ঝংকারের বিরুদ্ধে তিনি এই কাজ করেছেন, “যাতে শান্তির বাণী যুদ্ধে নিনাদকেও ছাপিয়ে ওঠে।” গ্রেফতারের কিছুদিন পর কারাগারের মধ্যেই এরিখ মেনটার আত্মহত্যা করেন। ধারণা করা হয় জার্মানদের সাথে তার আঁতাত ছিল।

১৯১৫ সালের হামলা; image: bbc.com
১৯৫৪ সালের হামলা

গত এক শতাব্দী ধরেই পুয়ের্তো রিকো শাসন করছে মার্কিনীরা। যুগে যুগে পুয়ের্তো রিকো স্বাধীনতার জন্য অনেক আন্দোলন করেছে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে ফল না পাওয়ায় কিছু দল বেছে নিয়েছে বিচ্ছিন্নতার পথ।

১৯৫৪ সালের ১লা মার্চ মার্কিন-নিয়ন্ত্রিত ভূখণ্ড পুয়ের্তো রিকোর স্বাধীনতাকামীরা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে কংগ্রেসের নিম্ন কক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের গ্যালারিতে ঢুকে পড়ে। হাউস হিস্ট্রি ওয়েবসাইটের খবর অনুযায়ী, পুয়ের্তোরিকান ন্যাশনালিস্ট পার্টির সদস্যরা “কংগ্রেস কক্ষ লক্ষ্য করে নির্বিচারে গুলি চালায় এবং গ্যালারিতে পুয়োর্তোরিকোর পতাকা উড়িয়ে দেয়।” পুড়িয়ে ফেলে যুক্তরাষ্ট্রের পতাকা।

ঐ ঘটনায় পাঁচজন কংগ্রেস সদস্য – অ্যালভিন বেন্টলি, বেন জেনসেন, ক্লিফোর্ড ডেভিস, জর্জ ফ্যালন এবং কেনেথ রবার্টস আহত হন। সংসদের কর্মকর্তারা হামলাকারী চারজনকে আটক করেন এবং বাকি একজন পালিয়ে গেলেও পরে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

১৯৫৪ সালের হামলায় আহত সহকর্মীদের কাঁধে নিয়ে বের হচ্ছেন কংগ্রেস সদস্যরা; image: bbc.com
ক্যাপিটল হিস্টোরিক্যাল সোসাইটির স্যামুয়েল হলিডে বলছেন, ৬ই জানুয়ারির ঘটনার সাথে ১৯৫৪ সালের ঘটনার তুলনা হতে পারে না, কারণ পুয়ের্তোরিকান স্বাধীনতাকামীরা পূর্বপরিকল্পনা অনুযায়ী কংগ্রেসের ভেতর আগে থেকে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে গিয়েছিল।

১৯৭১ সালের হামলা

১৯৭১ সালের পহেলা মার্চ যুক্তরাষ্ট্রের ক্যাপিটল হলে বোমা হামলা চালানো হয়। ওই হামলায় ভবনটি ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কেউ হতাহত হয়নি। ওই হামলার মূল বিষয়বস্তু ছিল লাওসে মার্কিন সমর্থিত অভিযান।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ লাওসে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র। সে সময় যুক্তরাষ্ট্রের সাথে আরো বেশ কিছু দেশ মিলে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে শুদ্ধি অভিযান শুরু করে। এর ফলে সেখানে কয়েকটি সশস্ত্র গ্রুপ সক্রিয় হয়ে ওঠে। তারই পরিপ্রেক্ষিতে খোদে আমেরিকার মাটিতে কংগ্রেস ভবনে হামলা চালিয়ে তার প্রতিশোধ গ্রহণ করে তারা। ‘দ্য ওয়েদার আন্ডারগ্রাউন্ড’নামের একটি সশস্ত্র সংগঠন ওই হামলার দায় স্বীকার করে।

এবারের হামলা ছিল যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে নজিরবিহীন ঘটনা; image: the independent
১৯৮৩ সালের হামলা

এই হামলার ঘটনাটি ঘটে ১৯৮৩ সালের ৭ই নভেম্বর। রাত প্রায় ১১টার দিকে ক্যাপিটল ভবনের উত্তর শাখার তিন তলায় এক বিস্ফোরণে ব্যাপক ক্ষতি হয়। এতে কেউ হতাহত হয়নি। এই বিস্ফোরণের কিছুক্ষণ আগে এক ব্যক্তি ক্যাপিটলের টেলিফোন এক্সচেঞ্জে ফোন করে এই বোমার কথা জানায়। সে নিজেকে ‘সশস্ত্র প্রতিরক্ষা ইউনিট’ নামে এক গোপন সংগঠনের সদস্য বলে দাবি করে। গ্রেনাডা এবং লেবাননে মার্কিন অভিযানের প্রতিশোধ হিসেবে এই হামলা চালানো হয়েছে বলে ঐ ব্যক্তি জানায়।

১৯৯৮ সালের হামলা

সংসদ ভবনের নিরাপত্তা বেষ্টনী ভেদ করে যাওয়ার সময় এক সশস্ত্র হামলাকারীর গুলিতে ক্যাপিটল পুলিশের দুজন কর্মকর্তা – অফিসার জেকব চেস্টনাট এবং ডিটেকটিভ জন গিবসন – নিহত হন। হামলাকারী রাসেল ইউজিন ওয়েস্টনকে আটক করা হলেও মানসিক ভারসাম্যহীনতার জন্য তার বিচার করা যায়নি।

হামলার প্রধান উৎসাহদাতা ছিল কিউএ্যানন সদস্যরা; image: Washington Post
মার্কিন ইতিহাসে কংগ্রেস ভবনে অসংখ্যবার হামলার ঘটনা ঘটলেও এবারের মতো নজিরবিহীন হামলা ইতিপূর্বে কখনো ঘটেনি। কেননা এবার স্বয়ং মার্কিন নাগরিকরাই সেদেশের কংগ্রেস ভবনে হামলা চালিয়েছে। এবং সেটা দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে। যদিও ইতোমধ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্প জো বাইডেনের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করার ব্যাপারে সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। তবে তিনি জানিয়েছেন জো বাইডেনের অভিষেক অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত থাকবেন না।

This is a bengali article. It’s about ‘Qanon’ and history of attack on the us congress building

All The Reference Are Hyperlinked Within Article.
Featured Image: New York Times 
Total
3
Shares
Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

 
Previous Article

হোয়াইট ডেথ: ইতিহাসের সর্বাধিক কিল রেকর্ড যে স্নাইপারের

Next Article

সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড: বঙ্গোপসাগরে অজানা রহস্য

 
Related Posts
আরও পড়ুন

মঙ্গল গ্রহে পানির খোঁজ

কিভাবে মঙ্গল গ্রহে থেকে কোটি কোটি বছর আগে পানি অপসারণ হয়েছে এটা একটা দীর্ঘদিনের রহস্য। বিজ্ঞানীরা এখন মনে…
আরও পড়ুন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোভিড -১৯ হাসপাতালে ভর্তির উচ্চ রেকর্ড 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোভিড -১৯ হাসপাতালে ভর্তি উচ্চ রেকর্ড যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে ।বুধবার নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৪০,০০০ ছাড়িয়ে…
আরও পড়ুন

লীগ অব নেশনস: এক ব্যর্থ সংগঠনের আদ্যোপান্ত

প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় একটি বিশ্বসংস্থা ‘লীগ অফ নেশনস’-এর জন্ম হয়। সংস্থাটি যেমন ওই সময় বিশ্ববাসীকে আশার…

আমাদের নিউজলেটার জন্য সাইন আপ করুন

আমাদের নতুন খবর গুলো পেতে এখনি সাইন আপ করুন

Sign Up for Our Newsletter