লিখুন
ফলো

আমাদের নতুন খবর গুলো পেতে এখনি সাইন আপ করুন

টমাস আলভা এডিসন: যার আবিস্কৃত আলোয় আলোকিত বিশ্ব

টমাস আলভা এডিসন। একজন মার্কিন বিজ্ঞানী। টমাস এডিসনের নাম শুনেনি এমন লোক খোঁজে মেলা ভার। বৈদ্যুতিক বাতি, কিন্টোগ্রাফ, গ্রামোফোন ও ফোনোগ্রাফ তাঁর বিখ্যাত আবিষ্কারগুলোর মধ্যে কয়েকটি, যা মানুষের জীবনযাপনকে আমূল পাল্টে দিয়েছিল। কিন্তু ছোটবেলায় কেমন ছিলেন এডিসন? এতসব আবিষ্কারে পেছনে কি ছিল তার প্রেরণা? চলুন জেনে নেয়া যাক।

শিশুকালে এডিসন; image: wikipedia

টমাস আলভা এডিসন এর মত সমৃদ্ধ জীবনী খুব কম মানুষেরই আছে। তাঁর মত সফল মানুষ পৃথিবীর ইতিহাসেই খুব কম এসেছেন। আধুনিক বৈদ্যুতিক বাতি, সাউন্ড রেকর্ডিং, ভিডিওগ্রাফির মত আবিষ্কার সহ মোট ১০৯৩টি আবিষ্কারের পেটেন্ট রয়েছে তাঁর নামে। এত বড় একজন বিজ্ঞানী ও আবিষ্কারক হওয়ার পাশাপাশি টমাস আলভা এডিসন ছিলেন ইতিহাসের সেরা একজন সফল উদ্যোক্তা। তাঁর রেখে যাওয়া সম্পদের পরিমাণ ছিল ১৭১ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি! আজকের ইলন মাস্ক বা স্টিভ জবস এর মত টেক জিনিয়াসরা তাঁকে একবাক্যে গুরু মানেন এডিসনকে।

১৮৪৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের ওহিওর মিলানে জন্ম নেন এডিসন। বাবা স্যামুয়েল ও মা ন্যান্সি এডিসনের সবচেয়ে ছোট এবং সপ্তম সন্তান ছিলেন এডিসন। এডিসনের বাবা ছিলেন কানাডা থেকে নির্বাসিত একজন রাজনৈতিক কর্মী। তার পিতার পরিবারের বংশ ছিল নিউ জার্সির হল্যান্ডদেশীয়। তাদের পদবি মূলত ছিল ‘এডিসন’।

স্কুলশিক্ষিকা মায়ের প্রভাব অনেক বেশি ছিল এডিসনের ওপরে।  অল্প বয়সেই জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার কারণে দুই কানেই কম শুনতেন এডিসন। বড় হতে হতে একরকম বধির হয়ে যান তিনি। মজার ব্যাপার হচ্ছে, ছোটবেলায় এটার জন্য নানা সমস্যায় পড়লেও বড় হয়ে সবার কাছে আজগুবি সব গল্প বানিয়ে বলতেন তিনি। ট্রেন দুর্ঘটনায় কানে আঘাত পাওয়ার পর থেকে কানে কম শুনতেন- এমনটাই সবাইকে বলতেন এডিসন।

তরুণ বয়সে এডিসন; image: wikipedia

১৮৫৪ সালে এডিসনের পরিবার মিশিগানের পোর্ট হুরনে চলে যায়। সেখানেই স্কুলে যোগ দেন এডিসন। কিন্তু স্কুলের পড়ালেখা তিনি বেশিদিন চালিয়ে যেতে পারলেন না। স্কুল থেকে তাকে একটি চিঠি দিয়ে বাড়ি পাঠিয়ে দেওয়া হয় এবং বলা হয় চিঠিটি যেন তিনি মায়ের হাতে দেন। শিশু এডিসন চিঠিটি সরাসরি মায়ের হাতেই দেন। চিঠিটি পড়ার পর এডিসনের মায়ের চোখ অশুসজল হয়ে উঠল। এডিসন চিঠিটির সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি চিঠিটি জোরে পড়ে শোনান-

 your son is genius. This school is too small for him and doesn’t have enough good teachers for training him. please teach him yourself.

অর্থাৎ, আপনার ছেলে প্রতিভাধর। এই স্কুলটি তার জন্য খুব ছোট এবং তার প্রশিক্ষণের জন্য এখানে যথেষ্ট ভালো শিক্ষক নেই। তাকে নিজের মতো করে শিক্ষা দিন।

এরপর ঘরেই মায়ের কাছে পড়া শুরু করেন তিনি। মাত্র ১১ বছর বয়সেই বিভিন্ন বিষয়ের উপর প্রচুর বই পড়ে ফেলেন এডিসন। ১৫ বছর বয়সে টেলিগ্রাফ অপারেটর হিসেবে কাজ শুরু করেন এডিসন। এরমধ্যেই টেলিগ্রাফ এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক পণ্যের প্রযুক্তি নিয়ে প্রচুর গবেষণাও শুরু করেন।

এডিসন পড়াশোনা, লেখালেখি এবং পাটিগণিত তার মায়ের জন্য শিখেছিলেন। তার মা একজন গৃহশিক্ষক রেখেছিলেন তার জন্য। একজন জীবনীবিদ তাকে খুব কৌতূহলী বালক হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন , যে নিজে পড়েই বেশিরভাগ জিনিস শিখেছিল। বাল্যকালে তিনি প্রযুক্তিতে মুগ্ধ হয়ে ওঠেন এবং ঘরে বসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা জন্য প্রতিদিন বেশ কয়েক ঘন্টা সময় ব্যয় করতেন।

নিজের আবিস্কৃত গ্রামোফোন হাতে এডিসন; image: britannica

১৮৬৬ সালে ১৯ বছর বয়সে কেন্টাকির লুইসভিলে চলে যান তিনি। সেখানে অ্যাসোসিয়েট প্রেসের হয়ে কাজ শুরু করেন। কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি তৈরির কাজে হাত দেন। শুরু হয় নতুন কিছু আবিষ্কারের পথে এগিয়ে চলা।

এডিসন তখন শতাব্দীর সেরা আবিষ্কারক। একদিন তিনি পুরনো জিনিসপত্র দেখছিলেন। ডেস্কের ড্রয়ারের কোণায় একটা ভাঁজ করা চিঠি পেলেন। চিঠিতে লেখা ছিল-

আপনার সন্তান মানসিকভাবে অসুস্থ। তাকে আমরা আর কোনোমতেই স্কুলে রাখতে পারছি না।

এডিসন চিঠিটি পড়ে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েন। তখন তিনি তার ডায়েরিতে লিখেছিলেন

Thomas Alva Edison was an addled child that, by a hero mother, become the genius of the century. অর্থাৎ, টমাস আলভা এডিসন একজন স্থুলবুদ্ধিসম্পন্ন শিশু ছিলেন, একজন আদর্শবান মায়ের অনুপ্রেরণায় তিনি আজ শতাব্দীর সেরা মেধাবী।

মূলত এই চিঠিটা ছিল সেই চিঠি, যেটা স্কুল থেকে দিয়ে তাকে বিদায় করা হয়েছিল। আর একজন আদর্শ মা তাকে চিঠিটা ভিন্নভাবে পড়ে শুনিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সাহস যুগিয়েছিল। কালে কালে এই চিঠিটা বিশ্ববাসীর জন্য একজন আদর্শ মায়ের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিক হয় রয়েছে।

শুধুমাত্র একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি আর একজন মানুষের অনুপ্রেরণাই বদলে দিতে পারে কারও জীবনের গল্প। যেমনটা, শিশু এডিসনের মায়ের অনুপ্রেরণায় আজ তিনি একজন সফল আবিষ্কারক, একজন বিশ্বসেরা উদ্ভাবক। আজ যার তৈরি আলোতে আলোকিত গোটা বিশ্ব।

এডিসনের আবিষ্কার সমূহ

শিশুকাল থেকেই জ্ঞানচর্চায় তাঁর আগ্রহ প্রকাশ পায়। বাকি জীবন অন্যদের উৎসাহ দিয়েছেন স্বশিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার। ১২ বছর বয়সে এডিসন ভাবলেন তিনি যা শিখেছেন, সেগুলোকে কাজে লাগানো উচিত। বাবা-মায়ের কাছে অনুমতি চাইলেন বাড়ির কাছে গ্র্যান্ড ট্র্যাংক রেইল রোড লাইনে পত্রিকার হকার হিসেবে কাজ করার। হকার হিসেবে কিছুদিন কাজ করার পর এডিসন নিজেই ‘গ্র্যান্ড ট্রাংক হেরাল্ড’ নামের ছোট একটি পত্রিকা বের করা শুরু করেন। একদম নতুন তরতাজা খবর থাকায় ট্রেনযাত্রীরা এডিসনের পত্রিকা পড়া শুরু করেন।

নিজের আবিস্কৃত বৈদ্যুতিক বাতি হাতে এডিসন; image: wikipedia

এডিসন রাস্তায় সংবাদপত্র বিক্রির একচেটিয়া অধিকার অর্জন করেছিলেন এবং চার সহকারীদের সহায়তায় তিনি টাইপ করে গ্র্যান্ড ট্রাঙ্ক হেরাল্ড মুদ্রণ করেছিলেন, যা তিনি তাঁর অন্যান্য কাগজপত্রের সাথে বিক্রি করেছিলেন। এটার মাধ্যমে এডিসনের দীর্ঘ উদ্যোগী উদ্যোগ শুরু হয়েছিল, কারণ তিনি ব্যবসায়ী হিসাবে তার প্রতিভা আবিষ্কার করেছিলেন। এই প্রতিভার জন্য অবশেষে তাকে জেনারেল ইলেকট্রিক ছাড়াও আরো ১৪ টি সংস্থা খুঁজে পেয়েছিল, যা এখনও বিশ্বের বৃহত্তম প্রকাশ্যে ব্যবসায়ের সংস্থাগুলির মধ্যে একটি।

নানা বিষয়ে আগ্রহ থাকার কারণে এডিসন নতুন কিছু পেলেই খুঁটিয়ে দেখতেন। একদিন তিন বছর বয়সী একটা বাচ্চাকে চলন্ত টেনে কাটা পড়া থেকে রক্ষা করেন এডিসন। সেই শিশুটির বাবা ছিলেন টেলিগ্রাফ অপারেটর। তাঁর কাছ থেকেই টেলিগ্রাফ চালানো শিখে নেন এডিসন।

১৫ বছর বয়সে টেলিগ্রাফ অপারেটর হিসেবে কাজ করা শুরু করেন এডিসন। পরের পাঁচ বছর আমেরিকার বিভিন্ন প্রান্তে কাজ করেন তিনি। এর মধ্যেই টেলিগ্রাফ এবং অন্যান্য ইলেকট্রনিক পণ্যের প্রযুক্তি নিয়ে প্রচুর লেখাপড়া ও গবেষণা করেন তিনি।

নিজের আবিস্কৃত বাতি হাতে এডিসন; image: the daily observer

১৮৬৬ সালে ১৯ বছর বয়সে কেন্টাকির লুইসভিলে চলে যান এডিসন। সেখানে অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) হয়ে কাজ শুরু করেন। রাতের পালায় ডিউটি থাকায় সে সময় তিনি লেখাপড়া এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ করতেন।
১৮৬৭ সালে এক রাতে, তিনি ফ্লোরে সালফিউরিক অ্যাসিড ছিটিয়ে একটি সীসা-অ্যাসিড ব্যাটারি নিয়ে কাজ করছিলেন। এটি ফ্লোরবোর্ডের মধ্যে এবং নীচে দিয়ে গিয়ে তাঁর বসের ডেস্কের দিকে ছড়িয়েছিল। পরদিন সকালে বেচারা এডিসনকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হলো।

১৮৬৮ সালে এডিসনের বাবা-মা দুজনেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাঁদের দেখতে বাড়িতে ফিরে যান এডিসন। বুঝতে পারেন এখন থেকে নিজের কাজ নিজেকেই করতে হবে। বাড়ি থেকে এডিসন চলে যান বোস্টনে। ওয়েস্টার্ন ইউনিয়ন কোম্পানির হয়ে কাজ শুরু করেন। সে সময় বোস্টন ছিল আমেরিকার বিজ্ঞান ও সংস্কৃতিচর্চার অন্যতম কেন্দ্র।

এডিসন এই সুযোগটাকে কাজে লাগান। কাজের পাশাপাশি বিভিন্ন ইলেকট্রনিক যন্ত্র তৈরির কাজে হাত দেন। এভাবেই তৈরি করে ফেলেন ইলেকট্রনিক ভোটিং রেকর্ডার, যার মাধ্যমে খুব অল্প সময়েই সুষ্ঠুভাবে ভোট গণনা করা যেত। ধীরে ধীরে বোস্টনে এডিসনের পরিচিতি বাড়তে থাকে। তাঁর উদ্ভাবিত পণ্য মানুষ কিনতে শুরু করে এবং এডিসন আরো নতুন এবং গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে গবেষণা শুরু করেন।

নিজের গবেষণাগারে এডিসন; image: the observer

তার প্রথম পেটেন্টটি বৈদ্যুতিক ভোট রেকর্ডারের জন্য ছিল, যা ১৮৬৯ সালের ১ জুন অনুমোদিত হয়। যন্ত্রটির ব্যাপক চাহিদার থাকায় তিনি নিউইয়র্ক সিটিতে চলে আসেন। সেই প্রথম বছরগুলিতে তাঁর ফ্র্যাংকলিন লিওনার্ড পোপ নামে একজন পরামর্শদাতা ছিলেন। যিনি ছিলেন সহযোদ্ধা এবং উদ্ভাবক। তিনি দরিদ্র যুবক এডিসনকে নিউ জার্সির বেসমেন্টে আশ্রয় এবং কাজ দিয়েছিলেন। পোপ এবং এডিসন তাদের নিজেদের একটি কোম্পানি খুলেন ১৮৬৯ সালের অক্টোবর মাসে। তারা তড়িৎ প্রকৌশলী এবং উদ্ভবক হিসেবে কাজ করেছিলেন। এরপরে এডিসন মাল্টিপুল টেলিগ্রাফিক সিস্টেম বিকাশ শুরু করেছিলেন, যা ১৮৭৪ সালে এক সাথে দুটি বার্তা প্রেরণ করতে সক্ষম হয়।

১৮৮৩ সালের ১৯ জানুয়ারি থমাস এডিস সর্বপ্রথম সফল বৈদ্যুতিক বাতি আবিষ্কার করেন। এডিসন বহু প্রচেষ্টার পর এই বাতিটি তৈরি করেছিলেন কার্বন ফিলামেন্ট ব্যবহার করে। দেড়’শ বছর ধরে এই বাকিগুলো আজও ব্যবহৃত হচ্ছে। তবে এখন আর কার্বন ফিলামেন্ট ব্যবহার করা হয়না। এখন ব্যবহার করা হয় টাংস্টেন ফিলামেন্ট। বর্তমানে এই ধরণের বাতিগুলোকে বলা হয় ইনক্যানডিসেন্ট ল্যাম্প।

ব্যক্তিগত জিবন

এডিসন ছিলেন বিশ্বের অন্যতম সেরা উদ্যোক্তা; image: Wikipedia

টমাস আলভা এডিসন প্রথমবার বিয়ে করেন মাত্র ১৬ বছর বয়সে। ১৮৭১ সালের ২৫ ডিসেম্বরে বিয়ে করা তার প্রথম স্ত্রীর নাম ছিল মেরি স্টিলওয়েল। মেরিওন এসটেলা এডিসন, টমাস আলভা এডিসন জুনিয়র, উইলিয়াম লেসলি এডিসন নামে তাদের তিনটা সন্তান ছিল। মেরি এডিসন ১৮৮৪ সালের আগস্টের ৯ তারিখে মৃত্যু বরণ করেন। তারপর ওহিওতে টমাস এডিসন ২০ বছর বয়সি মিনা মিলারকে বিয়ে করেন। তিনি বিখ্যাত উদ্ভাবক লুইস মিলারের কন্যা ছিলেন। তাদেরও তিনটি সন্তান ছিল। এদের মধ্যে ছিল চার্লস এডিসন, যিনি তার বাবার মৃত্যুর পর প্রতিষ্ঠানটি দেখাশোনা করতেন এবং পরে নিউ জার্সির গভর্নর নির্বাচিত হন। এছাড়া থিওডর এডিসন, পদার্থবিদ যার ৮০টির বেশি পেটেন্ট রয়েছে।


This is a Bengali article. This is the biography of Thomas Alva Edison

Necessary references have been hyperlinked inside the article.

Featured Image: The Daily Star

Total
1
Shares
Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

 
Previous Article

সিল্যান্ড: ৫৫০ বর্গমিটারের এক আজব দেশ

Next Article

উপন্যাস: আসমান

 
Related Posts
আরও পড়ুন

ব্লু অরিজিন : জেফ বেজোসের স্পেস ফ্লাইট কোম্পানি [পর্ব – ২]

১ম পর্ব ব্লু অরিজিনের পুনঃব্যবহারযোগ্য নিউ শেফার্ড সাবঅরবিটাল সিস্টেম  ব্লু অরিজিন একটি রকেট প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান এবং এখন তারা…
আরও পড়ুন

মঙ্গল গ্রহে পানির খোঁজ

কিভাবে মঙ্গল গ্রহে থেকে কোটি কোটি বছর আগে পানি অপসারণ হয়েছে এটা একটা দীর্ঘদিনের রহস্য। বিজ্ঞানীরা এখন মনে…
আরও পড়ুন

মঙ্গল গ্রহ এবং আরব আমিরাতের শহর নির্মাণের পরিকল্পনা

সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে যেটা নিয়ে মানুষের কৌতুহলের কখনাে কমতি ছিল না, সেটা নিঃসন্দেহে মঙ্গল গ্রহ। সূর্যের চারপাশে…

আমাদের নিউজলেটার জন্য সাইন আপ করুন

আমাদের নতুন খবর গুলো পেতে এখনি সাইন আপ করুন

Sign Up for Our Newsletter