লিখুন
ফলো

আমাদের নতুন খবর গুলো পেতে এখনি সাইন আপ করুন

ব্রুনাই সুলতান: এক খ্যাপাটে রাজার গল্প

দক্ষিণ চীন সাগর পাড়ের অসম্ভব সুন্দর দেশটির নাম ব্রুনাই। কী নেই ছোট্ট এই দেশে! প্রশস্ত পিচঢালা রাস্তা, সুউচ্চ মসজিদের মিনার, আকাশচুম্বী ভবন, সন্ধ্যা নামলেই ঝলমলে রঙিন আলো জ্বলিয়ে ছুটে চলা অসংখ্য দামী গাড়ি। রাত হলেই লাল নীল বাতিতে আলোকিত হয়ে ওঠে সমগ্র দেশটি। অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধশালী এই দেশটি কয়েক দশক আগেও এতটা কর্মচঞ্চল ছিল না। ১৯৬৭ সালে বর্তমান ব্রুনাইয়ের ২৯তম সুলতান হিসেবে সিংহাসনে বসেন সুলতান হাসান আল বলকিয়াহ
সিংহাসনে আরোহণের পর থেকেই একের পর এক উন্নয়ন কার্যক্রম হাতে নিতে থাকেন তিনি। তার হাত ধরে ব্রুনাই আয়তনে ছোট হয়েও বিশ্ব রাজনীতিতে ভালোভাবেই জায়গা করে নেয়।
সুলতান বলকিয়াহ ধর্মীয় গোঁড়ামি থেকে বের হয়ে এসে এক আধুনিক দেশ হিসেবে গড়ে তোলেন ব্রুনাইকে। কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শিক্ষার হার বৃদ্ধি, জীবনযাত্রার মানোন্নয়নসহ অসংখ্য উন্নয়ন হয়েছে বর্তমান সুলতান হাসান আল বলকিয়ার হাত ধরে।
দক্ষিণ এশিয়ার ম্যাপে ব্রুনাই; image: realmap.org

সুলতান বলকিয়াহ ১৯৪৬ সালের ১৫ জুলাই ব্রুনাই টাউনে পেনগিরান মুদা (যুবরাজ) হাসসান আল-বলকিয়াহ হিসাবে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি কুয়ালালামপুরের ভিক্টোরিয়া ইনস্টিটিউশন থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা অর্জন করেন। এরপর ১৯৬৭ সালে পাড়ি জমান ব্রিটেনে। সেখানে তিনি রয়্যাল মিলিটারি একাডেমি স্যান্ডহার্স্ট থেকে তিনি উচ্চশিক্ষা অর্জন করেন।

তিনি তার পিতার সিংহাসন ত্যাগের পর ৫ অক্টোবর ১৯৬৭ সালে ব্রুনাই দারুস সালামের সিংহাসনে আরোহণ করেন। ১৯৬৮ সালের এক আগস্টে তার অভিষেক উপলক্ষে জমকালো অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়, এবং তিনি ব্রুনাইয়ের ইয়াং ডি-পেরটুয়ান (রাষ্ট্রপ্রধান) হন। পিতার মতো তিনিও যুক্তরাজ্যের রাণি দ্বিতীয় এলিজাবেথের নিকট থেকে নাইট উপধি পান, উল্লেখ্য ব্রুনাই ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত যুক্তরাজ্যের উপনিবেশ ছিল। সে জন্য ১৯৮৪ সালের পরই ব্রুনাই সুলতানের হাতে রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ ক্ষমতা আসে।

ব্রুনাই সুলতানের যতো খ্যাপাটে অভ্যাস

ব্রিটিশ রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের পর পৃথিবীর ইতিহাসে দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকা ব্যক্তি হচ্ছেন সুলতান হাসান আল বলকিয়াহ। এখনও তিনি স্বপদে বহাল রয়েছেন। দীর্ঘ ছয় দশকের এই বিরতিহীন যাত্রায় বিভিন্ন সময় তিনি তার কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্ববাসীকে অবাক করে দিয়েছেন। তার এমন কিছু আজব কার্যক্রম নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো।
ব্রুনাই
বন্দর সেরি বেগাওয়ানের এতটি দৃষ্টিনন্দন মসজিদ; image: getty image
ভুলের উর্ধ্বে তিনি
২০০৬ সালের মার্চে সুলতান হাসান আল বলকিয়াহ ব্রুনাইয়ের আইনে নিজেকে ভুলের উর্ধ্বে রেখে সংবিধান সংশোধন করেন। সংবিধানের ধারা অনুযায়ী, তিনি কখনোই ভুল করতে পারেন না। তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটাই চিরন্তন সঠিক। এবং রাষ্ট্রের জনগণকে সেটা অবশ্যই মেনে নিতে হবে।

রাষ্ট্র পরিচালনায় তার কোনো ভুল নেই এবং এর জন্য তিনি কখনো অনুতপ্ত হবেন না। ভুল স্বীকারের তো প্রশ্নই আসে না। তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন সেটা জনগণ এবং দেশের জন্য কল্যাণকর করলে বিবেচিত হবে। যদিও সেটা ক্ষতিকর হয়েও থাকে।

গাড়ির নেশা

বলা হয়ে থাকে সুলতান হাসান আল বলকিয়াহর গাড়ির নেশা রয়েছে। এজন্যই তো একে একে তিনি এই দীর্ঘ সময়ে প্রায় ৭০০০ গাড়ির এক বিশাল বহর সংগ্রহ করে ফেলেছেন। একক ব্যক্তি হিসেবে সুলতান হাসান আল বলকিয়াহ পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি গাড়ির মালিক। এই গাড়িগুলোর মোট মূল্য প্রায় ৬ বিলিয়ন ডলার। যা দিয়ে প্রায় দুইটা পদ্মা সেতু নির্মাণ করা সম্ভব।
জার্মান চ্যাঞ্চেলর এঞ্জেলা মার্কেলের সাথে সুলতান বলকিয়াহ; image: getty image
তার সংগ্রহে শুধুমাত্র রোলস রয়েস রয়েছে প্রায় ৬৫০টি। এছাড়া মার্সিডিজ বেঞ্জ রয়েছে প্রায় ৬০০, ফেরারি ৪৫০ একং ম্যাকলারেন এফ১ রয়েছে ১৫০টি। এছাড়া অত্যাধুনিক মডেলের অসংখ্য গাড়ি তার সংগ্রহে রয়েছে। এছাড়া তিনি ঐতিহাসিক এবং বিলুপ্তপ্রায় গাড়িগুলো সংগ্রহ করতে বেশ পছন্দ করেন। তার সংগ্রহে মোট প্রায় ২,০০০ শুধু প্রাইভেটকার রয়েছে। এ ছাড়া অন্যসব গাড়ি তো রয়েছেই।
সোনার গাড়ি
হোক দুবাই কিংবা ব্রুনাই, স্বর্ণের ব্যবহারটা সেখানে আর সবার চেয়ে অন্যভাবেই হয়। এখানে ব্রুনাইয়ের সুলতানের প্রসঙ্গেই বলা হচ্ছে। তার বিষয়টাই যেন আলাদা। অনেকেই বলেন, স্বর্ণের প্রতি তার আসক্তি রয়েছে। তার প্রমাণ অন্তত একটি বিশেষ গাড়িতে মেলে।

গাড়িটি বিশেষভাবে বানিয়ে এনেছেন সুলতান হাসান আল বলকিয়াহ। এটি একটি রোলস রয়েস সিলভার স্পার স্ট্রেচ লিমুজিন। গোটা গাড়িটি মুড়ে রয়েছে ২৪ ক্যারেটের সোনা। এর দাম ১১৬ কোটি টাকারও বেশি। গাড়ির সামনে-পিছে বা ছাদে কিংবা চাকায় বিশেষ নকশা করা হয়েছে স্বর্ণ দিয়ে। এমনকি গাড়ির কিছু যন্ত্রাংশও বানানো হয়েছে সোনা দিয়ে।

সুলতানের সোনার গাড়ী; image: getty image
২০০৪ সালে সুলতান তার ছেলের বিয়েতে যাওয়ার সময় এই গাড়িতে প্রায় ১০ কিলোমিটার সফর করেন। আর এই বিয়ে ছিলো বিশ্বের সর্বাধিক ব্যয়বহুল বিয়ের একটি। এমন বহুমূল্যের গাড়ি তার কাছে রয়েছে আরো অন্তত ৭টি।

সর্বময় ক্ষমতার অধিকারী

সুলতান হাসান আল বলকিয়াহ যে শুধুমাত্র ব্রুনাইয়ের সুলতান তাই নয়। রাষ্ট্রের প্রায়ই সকল মন্ত্রণালয় এবং পদের সর্বোচ্চ আসলে তার স্থান রয়েছে। যেমন একাধারে তিনি সে দেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি, প্রতিরক্ষামন্ত্রী এবং সামরিক বাহিনীর প্রধান, অর্থমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী, বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর এবং শিক্ষা মন্ত্রী। একাধারে এতগুলো মন্ত্রণালয় এবং ক্ষমতায়নের দিক দিয়ে তিনি বোধ হয় প্রথম।

অক্সফোর্ডের ডিগ্রী ফিরিয়ে দেওয়া

ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়া সম্মানসূচক ডিগ্রি ফিরিয়ে দিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছিলেন সুলতান বলকিয়াহ। ২০১৪ সালে আংশিক শরিয়া আইন চালু করলেও ব্রুনাইয়ে মূল আইন জারি হয় ২০১৯ সালে। সেখানে সমকামিতার শাস্তি পাথর ছুঁড়ে মৃত্যুদণ্ড চালু করা হয়। এই আইন পাশ করার পর পশ্চিমা বিশ্বের সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। ব্রিটেনও এই আইনের সমালোচনা করেন। এরপরই তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন।
ব্রিটিশ রাণীর সাথে সুলতান বলকিয়াহ; image: getty image
বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাসভবন
ব্রুনাই সুলতানের বাসভবনের নাম ইস্তানা নুরুল ইমান। এছাড়া এটি সুলতান, রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, প্রতিরক্ষামন্ত্রী, এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীরও কার্যালয়।

কিন্তু মজার ব্যাপার হল, এই ভবনটি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আবাসিক ভবন। এই ভবনে মোট ১৭২৮টি এটি কক্ষ রয়েছে। শুধুমাত্র গোসলখানা রয়েছে ২৫৭টি। রাজধানী বন্দর সেরি বেগাওয়ানের কয়েক কিলোমিটার দক্ষিণ পশ্চিমে এই প্রাসাদের অবস্থান।

রাজকীয় আতিথেয়তা ও রাজ্যের উৎসবের কেন্দ্রবিন্দু এই প্রাসাদ। প্রাসাদের মেঝের আয়তনের ভিত্তিতে এই প্রাসাদকে বিশ্বের সর্ববৃহৎ বসবাসযোগ্য প্রাসাদ হিসেবে গণ্য হয়। ৫টি সুইমিং পুল সম্বলিত প্রাসাদের মেঝের আয়তন দুই লক্ষ বর্গমিটার বা ২,১৫২,৭৮২ বর্গফুট। এর মাঝে ভোজনসভার কক্ষটিতে একই সাথে পাঁচ হাজারেরও বেশি অতিথি আপ্যায়ন সম্ভব। প্রাসাদের মসজিদে প্রায় দেড় হাজার মানুষের একসাথে নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে।

ব্রুনাইয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় আবাসিক ভবন; image: Getty image
শরিয়া আইন প্রতিষ্ঠিত
২০১৪ সালে ব্রুনাইয়ের সুলতান সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সে দেশে শরিয়া আইন জারি করেন। শবে মেরাজ উপলক্ষে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেয়া ভাষণে ব্রুনাইয়ের সুলতান এই পেনাল কোডের কথা উল্লেখ করেননি৷ তবে তিনি ইসলামের মৌলিক শিক্ষার কথা বলেছেন৷

আমি চাই এদেশে ইসলামের শিক্ষা আরো শক্তিশালী হোক, রাজধানী বন্দর সেরি বেগাওয়ানে দেয়া এক বক্তব্যে এই মন্তব্য করেন তিনি৷ আমি জোর দিয়ে বলতে চাই যে ব্রুনাই দেশটি সবসময় আল্লাহর ইবাদতে নিজেদের উৎসর্গ করেছে এবং ভবিষ্যতেও করবে।

সুলতান হাসানাল বলকিয়াহ
প্রায় ছয় দশক ধরে ক্ষমতার শিখরে থাকা সুলতান আরো বলেন যে তাঁর দেশ একটি ‘ন্যায্য ও সুখী’ দেশ।

২০১৪ সালে ব্রুনাইতে শরিয়া পেনাল কোড চালু করলেও তা সীমাবদ্ধ ছিল জরিমানা কিংবা জেলের বিধান প্রয়োগের মাধ্যমে৷ ব্যভিচার বা শুক্রবারের জুম্মার নামাজে অংশ না নেয়ার জন্য জরিমানা ও জেলের বিধান চালু করা হয়৷

এ বিষয়ে ডয়চে ভেলেকে অস্ট্রেলিয়ার মানবাধিকার সংগঠন ‘দ্য ব্রুনাই প্রজেক্ট’-এর কর্মী ম্যাথু উল্ফে বলেন-

ব্রুনাইতে সমকামের শাস্তি ব্রিটিশ ঔপনেশিবেশিক আমল থেকে৷ সেখানে সমকামের শাস্তি ১০ বছরের জেল৷ তবে আমার জানা মতে, এই আইন কখনো প্রয়োগ করা হয়নি৷

image source: Getty image
কিন্তু এখন শরিয়া পেনাল কোডের সবচেয়ে বড় শাস্তি হলো ব্যভিচারী, সমকামী ও ধর্ষকদের বেত্রাঘাত ও পাথর ছুড়ে হত্যা, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সমালোচনার কারণে প্রয়োগ করতে এতদিন দেরি করেছে ব্রুনাই সরকার৷ ২০১৯ সালে এসে সেটা সম্পূর্ণরূপে কার্যকর করা হয়।

তেলসমৃদ্ধ ব্রুনাইতে ৪ লাখ ৩০ হাজার মানুষের বাস৷ এদের সিংহভাগই মুসলিম জনগোষ্ঠী৷ নতুন পেনাল কোডে এমন আইনও আছে, যা মুসলিম ও মুসলিম নন, সবার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য৷

বিবাহ বিতর্ক

সুলতান তার জ্ঞাতি বোন পেনগিরান আনাক সালেহাকে বিয়ে করেন, যিনি তার প্রথম স্ত্রী এবং পরবর্তীতে রাজা ইস্তেরি বা রাণি হন। তার সাবেক দ্বিতীয় স্ত্রী (সাবকে পেনগিরান ইস্তেরি) আইশা মারিয়াম ছিলেন রয়েল ব্রুনাই এয়ারলাইন্স এর সাবেক ফ্লাইট এটেন্ডেন্ট। ২০০৩ সালে তিনি তাকে তালাক দেন এবং সব রাজকীয় খেতাব বাতিল করেন। শুধু তাই নয়, সুলতানের স্ত্রী হিসেবে তিনি যে রাজকীয় ভাতা পেতেন সেটাও কেড়ে নেওয়া হয়।
রাণী সালেহার সাথে সুলতান বলকিয়াহ; image: getty image
২০০৫ সালের আগস্টে তার স্থান দখল করেন মালয়েশিয়ান টিভি উপস্থাপিকা আজরিনাজ মাজহার হাকিম। ২০১০ সালে তারা পৃথক হন এবং আইশা মারিয়ামের মতো তারও সকল রাজকীয় উপাধি, সম্মাননা এবং মাসিক ভাতা সুলতান বাতিল করেন। তালাকের বিষয়টি প্রধান প্রাসাদ কর্মকর্তা জাতীয় রেডিও এবং টেলিভিশনে ঘোষণা করেন।

সুলতান এবং রাজা ইস্তেরি পেনগিরান আনাক সালেহার বড় ছেলে হিসাবে প্রিন্স আল মুহতাদি বিল্লাহ বর্তমান পেনগিরান মুদা মাহকতা (যুবরাজ)। ২০১২ সালের হিসাবে, হাসসান আল-বলকিয়াহের তিন স্ত্রীর পাঁচ ছেলে এবং সাত মেয়ে আছেন।


This is a Bengali article. This is a biography of sultan Hassan Aaliyah.

All the references are hyperlinked inside the article.

Featured Image: Getty Image 

Total
5
Shares
Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

 
Previous Article

ইসরায়েলি ষড়যন্ত্রের হাজার বছরের ইতিহাস

Next Article

কেমন হবে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের নিরাপত্তা ব্যবস্থা?

 
Related Posts
আরও পড়ুন

কোপি লুয়াক : অদ্ভুত প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত পৃথিবীর সবচেয়ে দামী কফি

ইন্দোনেশিয়ার বাহাসা ভাষার ভাষাভাষী লোকজন কফি কে বলে কোপি। আর তারা বিড়ালের মত দেখতে  গন্ধগোকুল বা খট্টাশ নামক…
আরও পড়ুন

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোভিড -১৯ হাসপাতালে ভর্তির উচ্চ রেকর্ড 

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোভিড -১৯ হাসপাতালে ভর্তি উচ্চ রেকর্ড যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাস সংক্রমণের হার সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ব্যাপক মাত্রায় বেড়েছে ।বুধবার নতুন করে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৪০,০০০ ছাড়িয়ে…
আরও পড়ুন

মঙ্গল গ্রহে পানির খোঁজ

কিভাবে মঙ্গল গ্রহে থেকে কোটি কোটি বছর আগে পানি অপসারণ হয়েছে এটা একটা দীর্ঘদিনের রহস্য। বিজ্ঞানীরা এখন মনে…

আমাদের নিউজলেটার জন্য সাইন আপ করুন

আমাদের নতুন খবর গুলো পেতে এখনি সাইন আপ করুন

Sign Up for Our Newsletter