লিখুন
ফলো

আমাদের নতুন খবর গুলো পেতে এখনি সাইন আপ করুন

রথসচাইল্ড ফ্যামিলি: বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর এক ইহুদী পরিবার

আমেরিকার রথসচাইল্ড পরিবার। ঠিক পরিবার নয়, যেন একটি গুপ্ত সংগঠন। বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ইহুদী এই পরিবারটি অনেকটাই রহস্যময়। আমেরিকার অর্থনীতির হালচাল নিয়ন্ত্রিত হয় এই পরিবারের হাত দিয়ে। শুধু তাই নয়, বলা হয়ে থাকে পৃথিবীর সমগ্র সম্পদের চার ভাগের তিন ভাগ অংশের মালিকানা নাকি এই পরিবারটির হাতে। অথচ প্রতিবছর ফোর্বস ম্যাগাজিনে পৃথিবীর সেরা ধনীর তালিকায় দেখা যায় বিল গেটস, ওয়ারেন বাফেট কিংবা জেফ বেজোসের নাম। এই পরিবারের লাগামহীন অর্থনীতি নিয়ে কোনো পত্রিকা টু শব্দটি পর্যন্ত করে না, কিন্তু কেন?

বিশ্বের ধনীদের তালিকায় এই পরিবারের কারোর নাম নেই কারণ বাইরের কেউ জানেই না এই পরিবারের মোট সম্পদের পরিমাণ কত। একমাত্র পরিবারের লোকেরাই বলতে পারে তারা মোট কতটূকু সম্পদের অধিকারী। এই পরিবারের মোট সম্পদের পরিমাণ পৃথিবীর অনেক দেশের চাইতেও বেশি। রথসচাইল্ড পরিবার বিশ্বের সবচেয়ে ধনাঢ্য পরিবার হওয়ার পাশাপাশি সম্ভবত সবচেয়ে রহস্যময় পরিবারও বটে।

রথসচাইল্ড পরিবারের প্রতিক; image: wikipedia
আঠারো শতকের  ষাটের দশকে ব্যাংকিং ব্যবসা এবং সুদের দুর্গ গড়ে তোলার মাধ্যমে সমগ্র ইউরোপে অচলাবস্থা তৈরি করেছিল পরিবারটি। ইহুদী ষড়যন্ত্র এবং তাদের একাধিক গুপ্ত সংগঠনের মাধ্যমে তারা প্রবেশ করে প্রতিটি দেশের রাষ্ট্রব্যবস্থার রন্ধ্রে রন্ধ্রে। নিয়ন্ত্রণ করতে থাকে রাষ্ট্রযন্ত্রকে। সুদ ভিত্তিক অর্থনীতি এবং পুঁজিবাদী অর্থ ব্যবস্থার মাধ্যমে তৈরি করে মহা বিপর্যয়। ফরাসি বিপ্লব, রুশ বিপ্লব, বলশেভিক বিপ্লব, দুইটি বিশ্বযুদ্ধ এবং বিশ্বের প্রায় প্রতিটি বিপর্যয়ের পেছনে এই পরিবারটির হাত রয়েছে বলে ধারণা করা হয়। গত দুই শতকেরও বেশি সময় ধরে এদের নিয়ে প্রচলিত আছে বহু ষড়যন্ত্র তত্ত্ব। কেউ কেউ এসব সত্য বলে মানেন। আবার কেউ শুধুমাত্র ষড়যন্ত্রই মনে করেন।

সপ্তদশ শতাব্দী পর থেকে ইহুদি জাতিগোষ্ঠীর আকস্মিক উত্থানের পেছনে এই পরিবারটির উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। এছাড়া, ইসরায়েল পুনঃপ্রতিষ্ঠা, লীগ অব নেশনস, জাতিসংঘ গঠনের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে তাদের ছিল প্রভাবশালী ভূমিকা। ইউরোপের প্রতিটি যুদ্ধে উভয়পক্ষকেই তারা ঋণ দিত। যে দেশ বিজয়ী হত তাদের কাছ থেকে উচ্চহারে সুদে ঋণের অর্থ ফেরত নিত। অন্যদিকে পরাজিত দেশটির সকল সম্পদ তাদের কাজে ব্যবহৃত হতো। এভাবেই ইতিহাসের সবচেয়ে ধনী পরিবারে পরিণত হয় তারা। স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় আমেরিকার বিপক্ষশক্তি ব্রিটিশ সেনাবাহিনীকে ২০ মিলিয়ন ডলার ঋণ প্রদান করেছিল এই পরিবারটি।

রথসচাইল্ড পরিবারের কয়েকজন সদস্য; image: wikipedia

কিভাবে প্রতিষ্ঠিত হল রথসচাইল্ড পরিবার?

রথসচাইল্ড পরিবারের ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, এই পরিবারের প্রথম উল্লেখযোগ্য ব্যক্তি মেয়ার আমসেল রথসচাইল্ড। ১৭৪৪ সালে জার্মানীর ফ্রাঙ্কফুর্টে এক ইহুদি পরিবারে তার জন্ম হয়। তার বাবার নাম ছিল মোজেস আমসেল রথসচাইল্ড। বাবা পেশায় ছিলেন একজন মহাজনী সুদী ব্যবসায়ী ও স্বর্ণকার। ছোটবেলা থেকেই ছেলেকে সুদী ব্যবসা শিক্ষা দিতে শুরু করেন তিনি। ছোট বেলা থেকেই তীক্ষ্ণ বুদ্ধি সম্পন্ন মায়েরের ব্যবসার হাতেখড়ি হয় বাবা মোজেসের জার্মানীর ফ্রাঙ্কফুর্টে ইহুদী স্ট্রীটের দোকানে। ১৭৫৫ সালে মারা যান মোজেস। এরপর হ্যানোভারের একটি ব্যাংকে কাজ শুরু  করেন মেয়ার। অসাধারণ কৌশল আর মেধা কাজে লাগিয়ে অল্প সময়েই হয়ে যান প্রতিষ্ঠানের জুনিয়র পার্টনার। পরে আবার ফ্রাঙ্কফুর্টে ফিরে বাবার ব্যবসায় পূনরায় হাল ধরেন। যা এখন মানুষ রথসচাইল্ড ফ্যামিলি নামে চেনে। ব্যস, সেই থেকে শুরু। আর পেছনে ফিরতে হয়নি মেয়ার রথসচাইল্ডকে।

এই পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা মেয়ার আমসেল রথসচাইল্ডের ব্যবসায়িক দক্ষতার কারণে প্রিন্স উইলহেম তাকে জার্মানির অর্থ বিভাগে নিয়োগ দেয়। যে অর্থ তিনি আমেরিকার স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় বিপক্ষশক্তিকে ঋণ দিয়েছিলেন সেই একই অর্থই পরবর্তী সময়ে ফরাসি বিপ্লবে বিনিয়োগ করেন।

রথসচাইল্ড পরিবারের প্রতিষ্ঠাতা মেয়ার আমসেল রথসচাইল্ড; image: wikipedia
আমসেল রথসচাইল্ডের ছিল পাঁচ ছেলে। এদের মধ্যে চারজনকে সামান্য কিছু অর্থ দিয়ে চার দেশে প্রেরণ করেন। বড় ছেলে আমসেল মেয়ার তার সাথে ফ্রাঙ্কফুর্টে থেকে যায়। বাকিরা সলোমন মেয়ার ভিয়েনাতে, নাথান মেয়ার লন্ডনে, কার্ল মেয়ার নেপোলিতে এবং জেমস মেয়ার প্যারিসে পাড়ি জমায়। এবার ৫ ছেলের প্রত্যেকেই সেই দেশের একজন উচ্চপদস্থ রাজনৈতিক কর্মকর্তার মেয়েকে বিয়ে করে যা তাদের প্রতিটি দেশের প্রশাসনিক দপ্তরের প্রবেশের পথ সহজ করে দেয়।

ইউরোপের সর্বত্র ব্যাংকিং বা সোজা ভাষায় ঋণ ব্যবসায় একচ্ছত্র আধিপত্য আনে রথসচাইল্ডের চার ছেলে। ইউরোপের ঐ সময়কার সবচেয়ে সমৃদ্ধ শহর গুলো ছিল নাপোলি, প্যারিস, ভিয়েনা, লন্ডন ও ফ্রাঙকফুর্টে। এই ৫টি শহর থেকে ইউরোপের সমস্ত রাজকীয় পরিবারের সাথে রথসচাইল্ডরা ব্যবসা গড়ে তোলে। রথসচাইল্ডরা বিভিন্ন দেশের রাজা-বাদশাদেরকে উচ্চ সুদে ঋণ, বন্ড ইত্যাদি দিত।

রথসচাইল্ড
রহস্যময় ইহুদী পরিবারের একাংশ; image: wikipedia
ইউরোপের পাঁচটি শহরের রাজপরিবারের সাথে রথসচাইল্ড পরিবার ব্যবসা শুরু করে। উপায়টি খুব সোজা। রাজায় রাজায় যুদ্ধ হবে। রথসচাইল্ড পরিবার দুই পক্ষের রাজাকেই চড়া সুদে ঋণ, বন্ড ইত্যাদি দিবে। এবং যেই পক্ষই হারুক বা জিতুক সেই ঋণ শোধ করতে হবে। শোধ করতে না পারলে জমি জমা, ধন সম্পদ বন্ধক রেখে আরো উচ্চ সুদে ঋণ নিতে হবে। কি অভিনব ব্যবসা! এখানেই তারিফ করতে হয় রথসচাইল্ড ফ্যামিলির। যুদ্ধে যেই রাজাই জিতুক না কেন, তা নিয়ে রথসচাইল্ডের মাথা ব্যাথা নেই। কারণ টাকাতো তাদের পরিবারের হাতেই আসবে। বরং যুদ্ধ বাঁধাতে পারলেই তাদের লাভ। এজন্য রাষ্ট্রযন্ত্রকে ব্যবহার করে তারা যুদ্ধ বাঁধাত। এটাই ছিল যুদ্ধবাজ ইহুদীদের উপরে উঠার মূল রহস্য।

রথসচাইল্ড পরিবারের ষড়যন্ত্র

প্রায় ২০০ বছর ধরে এই রথচাইল্ডকে নিয়ে আছে অনেক রহস্য। কারো কাছে এসব স্রেফ ষড়যন্ত্র তত্ত্ব, আবার কারো কাছে বাস্তবতা। বিশেষজ্ঞরা বলেন- ফরাসি বিপ্লব, ওয়াটারলুর যুদ্ধ, প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, রুশ বিপ্লব, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, এমনকি হিটলারের হলোকাস্ট- এর সব কিছুর পেছনেই ভূমিকা আছে রথসচাইল্ড পরিবারের। নিজেদের ব্যবসার স্বার্থেই এসব করেছে তারা। সঙ্গে কাজ করেছে ধর্মীয় অনুভূতিও।

১৯১৯ সালের ২৯ মার্চ বলশেভিক বিপ্লব বিষয়ে ব্রিটিশ গণমাধ্যম টাইমস অব লন্ডন এক প্রতিবেদনে বলা হয়-

বলশেভিক বিপ্লবের ব্যাপারে সবচেয়ে কৌতূহলোদ্দীপক ব্যাপারটি হচ্ছে- এর নেতাদের একটি বিরাট অংশই রুশ নয়। বিপ্লবের মূলে ভূমিকা রাখা ২০ থেকে ৩০ নেতার মধ্যে ইহুদির হার ৭৫ ভাগের কম হবে না। ভ্লাদিমির লেনিন নিজেও ইহুদি। তবে পরে নাকি রুশদের সঙ্গে আর মিলে থাকা সম্ভব হয়নি রথচাইল্ডের। কারণ বিপ্লবের সময় কথা ছিল, কোনো কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করতে পারবে না সরকার। পরে সে কথা রাখেনি বলশেভিক সরকার।

রথসচাইল্ড পরিবারের পারিবারিক কাঠামো; image: britannica
ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পেছনে রথসচাইল্ডের ভূমিকার কথাও বলে থাকেন অনেকে। ইসরায়েলকে যাতে স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র ঘোষণা করা হয় সেজন্য ৩৩তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট হেনরি এস ট্রুম্যানকে ২০ লাখ ডলার দিয়েছিল তারা। নির্বাচনী প্রচারণা তহবিলের নামে দেয়া হয়েছিল ওই অর্থ। পরে যুক্তরাষ্ট্রই ইসরায়েলকে প্রথম স্বীকৃতি দেয়। চীনের মাও সে তুংয়ের বিপ্লবেও নাকি অর্থ দিয়েছিল রথসচাইল্ড!

এ সব তত্ত্বের কোনটা সঠিক, আর কোনটা ভুল- তা যাচাই করা কঠিন। তবে সবকিছু ছাপিয়ে বিশ্বের ধনাঢ্য পরিবারের তালিকায় শীর্ষেই থাকছে রথসচাইল্ড। আর সেই সঙ্গে হয়ে আছে রহস্যময়।

বর্তমান সময়ে রথসচাইল্ড পরিবার; image: wikimedia

বিশ্বব্যবস্থায় রথচাইল্ড ফ্যামিলির প্রভাব

বলা হয়ে থাকে পুরো বিশ্বের ব্যাংক ব্যবস্থা, সামরিক ব্যবস্থা, রাজনৈতিক ব্যবস্থা এই পরিবারের নিয়ন্ত্রণে। ডলার ও পাউন্ড-এর নোট ছাপানোও তাদের হাতে। বলা হয়ে থাকে এমনকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট কে হবে সেটাও নির্ধারণ করে দেয় এই পরিবার! তবে এই তথ্যের নির্ভরযোগ্য কোনো প্রমাণ নেই। বিশ্বজুড়ে এই পরিবারকে নিয়ে অনেকগুলো কনস্পিরেসি থিওরি প্রচলিত আছে। এদের মাঝে এটি একটি।

বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে ইউরোপে ছড়িয়ে পড়া কমিউনিষ্ট আন্দোলনের মূল কান্ডারী ছিল ইহুদীরা। এমনকি চীন, কিউবা, ভিয়েতনামে সমাজবাদীদেরও অর্থ দিয়েছিল রথসচাইল্ড পরিবার। নিজেদের পরিবারের অস্ত্বিত্ব টিকিয়ে রাখতে আজব কিছু রীতি চালু আছে পরিবারটিতে। তাদের পরিবারের রক্তের সম্পর্কের ভেতরেই বিয়ে সম্পন্ন করার রীতিনীতি রয়েছে। এর একটা মাত্রই কারণ, যাতে তাদের বংশবৃদ্ধির সম্প্রসারণ একই পরিবারের ভেতরেই হয়। যাতে করে ব্যবসার সম্প্রসারণ শুধুমাত্র তাদের নিজেদের মধ্যেই হয়ে থাকে।

বিশ্বজুড়ে অসংখ্য প্যালেসের মধ্যে একটি রথসচাইল্ড প্যালেস; image: times of isreal

বর্তমানে রথসচাইল্ড ফ্যামিলির কার্যক্রম শুধুমাত্র অর্থনীতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই। বলা হয়ে থাকে বিশ্বের অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডগুলোতে তাদের অবদান রয়েছে। বিশেষ করে যুদ্ধ এবং সামরিক ক্ষেত্রে তাদের প্রভাব সবচেয়ে বেশি। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী তাদের নিয়ন্ত্রণেই পরিচালিত হয় বলে প্রচলিত আছে। মার্কিন প্রেসিডেন্টগুলো তাদের নিয়ন্ত্রণে থাকে। প্রেসিডেন্টকে দিয়ে তারা তাদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য যেকোনো কাজ করিয়ে নিতে পারে। মূলত রাষ্ট্রের মধ্যে তারা আরেকটি রাষ্ট্র তৈরি করে ফেলেছে।

সবচেয়ে রহস্যময় বিষয়টি হলো, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে রথসচাইল্ড ফ্যামিলির কার্যক্রম সম্পর্কে খুব কমই প্রকাশিত হয়ে থাকে। এ সম্পর্কে বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক মিডিয়াগুলোও রথসচাইল্ড ফ্যামিলির হাত ধরে নিয়ন্ত্রিত হয়। যার কারণে তাদের কর্মকান্ড সব সময় গোপন থাকে।

image: wikipedia
এভাবেই শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে এক রহস্যময় পরিবার নিয়ন্ত্রণ করে যাচ্ছে বিশ্ব রাজনীতি। যাদের কর্মকাণ্ড লাগামহীন এবং ধরাছোঁয়ার বাইরে। দীর্ঘ তিন শতাব্দী ধরে এই পরিবারটি জন্ম দিয়েছে অসংখ্য রহস্যময় কল্পকাহিনীর। যার কোনটা সত্য আর কোনটা মিথ্যা তা আজও নির্ণয় করা সম্ভব হয়নি।
আরো পড়ুন: 

This is a bengali article. This article is about the most mysterious Rothschild family in the world.

Necessary reference are hyperlinked within article

Featured Article: Wikipedia 

Total
25
Shares
Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

 
Previous Article

ইহুদীবাদী ইসরায়েলের ইতিহাস (২য় পর্ব): ক্রুসেডারদের নৃশংসতা এবং সালাউদ্দিন আইয়ুবীর মহাবিজয়

Next Article

ঐতিহাসিক যে যুদ্ধ সমাপ্ত হয়েছিল মাত্র ৩৮ মিনিটেই!

 
Related Posts
আরও পড়ুন

উপসাগরীয় যুদ্ধ: সাদ্দাম হোসাইনের কুয়েত দখল এবং এর পরিণতি (পর্ব-২)

সাদ্দামের কুয়েত আক্রমণের অনেকগুলাে কারণ ছিল। প্রথম থেকেই ইরাকের অভিযােগ ছিল কুয়েতের বিরুদ্ধে সীমান্ত প্রশ্নে এবং জন্মের বৈধতা…
আরও পড়ুন

গত এক মেয়াদে ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার যত হাস্যকর কাজ

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তার এক মেয়াদে অনেক কিছু বলেছেন বা করেছেন যা বই আকারে ছাপা হলে ইতিমধ্যেই…
আরও পড়ুন

দ্যা ইয়েলো সী (২০১০) : পরাজিত মানুষের ক্রোধের আখ্যান

“আমার বয়স যখন ১১, তখন এলাকায় র‍্যাবিস ছড়িয়েছিলো। আমার কুকুর তাতে আক্রান্ত হয়। এটি তার মাকে কামড় দেয়…
আরও পড়ুন

নেটফ্লিক্সের বিবর্তন : একটি ডিভিডি রেন্টাল কোম্পানি যেভাবে পরিণত হলো বিশ্বের জনপ্রিয়তম স্ট্রীমিং প্লাটফর্মে [পর্ব : ২]

পূর্বের অংশের পর থেকে ২০১৩ : ২০০৭ থেকে ২০১২ সাল ছিলো নেটফ্লিক্সের জন্য ঝঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ সময়। ২০১৩ সাল থেকেই…

আমাদের নিউজলেটার জন্য সাইন আপ করুন

আমাদের নতুন খবর গুলো পেতে এখনি সাইন আপ করুন

Sign Up for Our Newsletter