লিখুন
ফলো

আমাদের নতুন খবর গুলো পেতে এখনি সাইন আপ করুন

স্বর্ণ বাহির করার এটি এম বুথ আছে যে দেশে

সারা বিশ্বে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা ইতিহাস, বিভিন্ন দেশের ঐতিহ্য, একটি দেশের নানান দিক ইত্যাদি সম্পর্কে সকল মানুষেরই কৌতূহল কাজ করে থাকে। স্বভাবতই একটি দেশের তুলনায় আরেকটি দেশের ইতিহাস অন্যরকম হবে এটাই স্বাভাবিক। সারাবিশ্বে তাক লাগিয়ে দেয়া এমন বেশকিছু দেশের মধ্যে আরব আমিরাত অন্যতম। আরব আমিরাতের শহর হিসেবে পরিচিত দুবাই এমন একটি শহর যার সম্পর্কে সাধারণ মানুষের কৌতূহলের শেষ নেই। এই দেশ যেমন অর্থনৈতিক ভাবে এগিয়ে আছে তেমনি এই দুবাই শহরের রয়েছে বেশকিছু অজানা তথ্য। এই দুবাই শহর নিয়েই চলুন জানা যাক অজানা কিছু তথ্য!

জনবহুল দেশ

image source: google

দুবাই, এক জনবহুল দেশ হিসেবে পরিচিত দুবাই যা আমিরাতের অন্যতম প্রসিদ্ধ শহর। এটি আরবের উপদ্বীপ পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ পূর্বে এবং ওসমান উপসাগরের উত্তর পশ্চিমে অবস্থিত। আরব আমিরাত মোট সাতটি আমিরাত দ্বারা গঠিত হয়। আমিরাতের মধ্যে ছয়টি আমিরাত হচ্ছে আবুধাবি, দুবাই, শারজাহ, আজমান, উম্মুল এবং ফুজিরা। দুবাই এর উপ বিভাগ হচ্ছে জাবেদ আলী আল আয়ির আল লুসাইলি মারকাব আল ফাকা, উদ আল বাইদা উরকার জুওয়াইজা। এর পৌর সংস্থার মহা পরিচালক হচ্ছেন দাউদ আল হাজরি। দুবাই শহরের বেশ কিছু ইতিহাস রয়েছে। এর রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, পরিবেশ সবকিছুই অন্যান্য দেশ থেকে বেশ ভিন্ন। সারা বিশ্বে এর পরিচিতি তাদের অর্থনৈতিক দিক এবং তাদের দেশের উন্নয়নের জন্য। ৩৫ বর্গকিমি এর এই নগরটি প্রতিষ্ঠা করেন উবাইদ বিন সাঈদ ও মাকতুম বিন বুত্তি আল মাকতুম। জানা যাক দুবাই নিয়ে জানা অজানা বিভিন্ন তথ্য। 

অর্থনীতি

image source: google

অর্থনৈতিক দিক দিয়ে দুবাই বেশ এগিয়ে অন্যান্য দেশ বা শহর থেকে। তাদের কাজের ধরণ, পরিশ্রম সবকিছুই তাদের উন্নতিতে বেশ সহায়তা করে। দুবাই সাধারণত যাত্রী, পণ্যবাহী বিমান এবং তেলের জন্য বিখ্যাত। তারা তাদের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে এগিয়ে গিয়েছে বেশকিছু কারণেই। তেল উৎপাদনের জন্য এই শহরটির উন্নতি চোখে পড়ার মত। জানা যায়, এটি ইতিমধ্যেই বড় বণিক কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে। দুবাইয়ের তেলের কারবারি দিয়েই ২০০৮ সালে পারস্য দেশের অর্থনীতির ২.১ শতাংশ অর্জন করে। এই অর্জন তাদের আরো সামনে এগিয়ে নিতে চ্যালেঞ্জিং মুখে কাজ করেছে। ১৯৩০ শতকের দিকে দুবাইয়ের তেলের বিষয় নিয়ে জরিপ চালায়। পেট্রোলিয়াম ডেভেলপমেন্টকে ১৯৩৯ সালে এর অনুমোদন দেয়া হয় এবং উপকূল থেকে কিছুটা দূরের অঞ্চলে ডিআরকি এক্সপ্লোরেশন লিমিটেডকে ১৯৫২ সালে অনুমোদন দেয়া হয়। দুবাইয়ে তেল রপ্তানির সূচনা ঘটে ১৯৬৯ সালের দিকে। এর আগে ১৯৬২ সালে আবু ধাবির জাবেল ধান্না থেকে সর্বপ্রথম ভোজ্য তেল রপ্তানি করা হয়। এই রপ্তানির ফলে দুবাইয়ে তেল থেকে আয় বৃদ্ধি করতে শুরু করে। তেল রপ্তানি বৃদ্ধির কারণেই আবু ধাবির তৎকালীন শাসক শেখ জায়েদ বিন সুলতান আল নাহইয়ান ওই অঞ্চলে স্কুল, হাসপাতাল, গৃহ নির্মাণ করতে থাকেন। এছাড়া সড়ক নির্মাণ কার্য চালাতে থাকেন। তাদের এই তেল রপ্তানিকে ঘিরেই সেখানকার মানুষের জীবনযাত্রার মান বদলাতে শুরু করে। তারা তাদের সেই আয়কে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন উন্নয়নের সফলতা লাভ করেন। 

স্বর্ণ তোলার বুথ

স্বর্ণ
Image Source: Google
দুবাই স্বর্ণের জন্যেও বেশ বিখ্যাত। আর এই বিখ্যাত হওয়ার কারণেই দুবাইকে সোনার শহর বলা হয়। যার আরেক নাম সিটি অফ গোল্ড।

অন্য শহরে টাকা তোলার বুথ আছে কিন্তু দুবাইয়ে আছে সোনা তোলার বুথ। শুনতে আশ্চর্য হলেও এটাই হয়েছে দুবাই শহরে। তাদের এই বুথের নাম দিয়েছে গোল্ড ভেন্ডিং মেশিন। আপনি চাইলেই সেখান থেকে সোনা কিনতে পারেন। অর্থনীতির বিরাট অংশ হিসেবে কাজ করছে এই সোনা। দুবাই বেশ বিলাসবহুল বলেই অনেকের চাহিদার আগেভাগেই চলে আসে সোনার দাম। দুবাইয়ে সাধারণত বেশ বিশুদ্ধ এবং অন্যান্য দেশের তুলনায় অনেক বেশি উন্নত স্বর্ণ তৈরি করা হয়ে থাকে। দুবাইয়ে যারা স্বর্ণ ভালোবাসেন তাদের জন্য দুবাইয়ের আয়োজক আয়োজন করেছেন সউক। সউক হচ্ছে দুবাইয়ের ঐতিহ্যবাহী মার্কেট যেখানে শুধুমাত্র স্বর্ণ কেনাবেচা করা হয়। ১৯৪০ সাল থেকে সউক দুবাইয়ের ব্যবসায়ের অন্যতম একটি স্থান দখল করে আছে। অনেকেই বলে থাকেন যে, এই সউকে প্রায় দশ মেট্রিক টনেরও বেশি স্বর্ণ জমা করা। স্বর্ণ ব্যবহার নিয়ে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর ঘটনা শোনা যায়। জানা যায়, দুবাইয়ের যারা স্বর্ণ পছন্দ করেন তাদের জন্য দুবাইয়ে স্বর্ণের গাড়ি থেকে শুরু করে আরও বেশ কিছু জিনিস পর্যন্ত পাওয়া যায়।

মুক্তো শিল্প

Image Source: Google

সোনার দিক দিয়ে অর্থনৈতিক ভাবে শহরটিতে এগিয়ে নিলেও মুক্তো শিল্পও বেশ ভালোই সফলতা এনে দিয়েছিলো দুবাই শহরকে। ১৯ শতকে যখন দুবাইয়ে শিল্প বিপ্লব ঘটেনি, তখন সেখানকার মূলত প্রধান কাজ ছিল মুক্তা চাষ। কিন্তু প্রথম বিশ্ব যুদ্ধের পর দুবাইয়ের এই শিল্পটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এই মুক্তোর ওপর এক সময় নির্ভর করে পুরো দুবাইয়ের অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি। আর তাই দুবাই তেল রপ্তানি ছাড়াও মুক্তো শিল্প দিয়ে বেশ এগিয়ে গিয়েছিলো। তাদের এই ব্যবসায় তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে আরও বেশ সাবলীল ভাবে সাহায্য করে থাকে। জানা যায়, উনবিংশ শতাব্দীর শেষে অন্যান্য সমুদ্রের চেয়ে বেশ কিছুটা শান্ত সমুদ্রে মুক্তোর ব্যবসার প্রসার ঘটাতে শুরু করেন দুবাইয়ের ব্যবসায়ীরা। আশেপাশে মানুষের কাছে এটি অর্থ উপার্জনের জন্য বেশ কার্যকরী একটি ব্যবসায় ছিল এটি। ১৯৩০ সালের প্রথমদিকে দুবাইয়ে মহামন্দা দেখায যায়। যার ফলে জাপানীরা কৃত্রিম মুক্তো আবিষ্কার করেন এবং এই কৃত্রিম মুক্তো আবিষ্কারের পর দুবাইয়ের মুক্তো শিল্প ধ্বংসের মুখে পড়তে থাকে।  ২য বিশ্বযুদ্ধের পর এই শিল্প ক্রমশ কমে যেতে থাকে। বিশেষ করে যখন ভারত সরকার এই শিল্পের উপর শুল্ক ধার্য করেন। একটা পর্যায়ে পরিস্থিতি এমন হয় যে এই শিল্প ব্যবসায়ীরা কঠিন সমস্যার সম্মুখীন হন। 

মাথাপিছু আয়

Image Source: Google

দুবাইয়ের মাথাপিছু আয় প্রায় ৩৫ হাজার ডলার। আরব আমিরাত দেশটির জিডিপিতে বেশ বড় একটা পরিবর্তন দেখা যায়নি। দেশটিতে ২০১৬ সালে নামমাত্র জিডিপি অর্জন করে। অর্থনৈতিক ভাবে বেশ সবল এই দেশটি দুবাই শহরের জন্যেই বেশ উন্নতিলাভ করে। 

আরো পড়ুনঃ

অটোম্যান সাম্রাজ্যের ইতিহাস

ইসরায়েলি ষড়যন্ত্রের হাজার বছরের ইতিহাস

দুবাইয়ের ইসলাম ব্যবস্থা 

Image Source: Google

জানা যায়, ৬৩৫ খ্রিষ্টাব্দ নাগাদ মুহাম্মদের কাছ থেকে দূতের আগমনে এই দুবাই অঞ্চলটি ইসলামে রূপান্তরিত হয়। মুহাম্মদের মৃত্যুর পর রিদ্দার যুদ্ধ সংগঠিত হয়। এই রিদ্দার যুদ্ধ সংগঠিত হয় বর্তমান ফুজাইরার দিব্বায়। ৬৩৭ সালে ইরান বিজয়ের সূচনাকারী হিসেবে জুলফার অঞ্চলকে ব্যবহার করা হতো। জুলফার ছিল বেশ সমৃদ্ধশালী বন্দর যেখানে মুক্তোর ব্যবসা করা হতো। এখান থেকেই মূলত পালতোলা নৌকা করে ভারত মহাসাগরের মধ্যে দিয়ে অনেক দেশে যাওয়া হতো। 

পর্যটকের শহর দুবাই

Image Source: Google

সাধারণত আমরা দ্বীপকে বেছে নেই পর্যটনের জন্য। আর পর্যটকের জন্যে হয়ত দুবাই একটি আদর্শ জায়গা। কেননা দুবাইয়ের পর্যটন এলাকার কম বেশি জায়গাতেই দ্বীপের অস্তিত্ব পাওয়া যায়। দুবাই আসলে এমন একটি শহর যেখানে পর্যটকেরা দেখতে পায় সাগরের উপর মানুষ দ্বারা নির্মিত এক দ্বীপ যার নাম দ্যা পাম আইসল্যান্ড। দুবাইয়ের ইতিহাস থেকে উঠে এসেছে, ২০০১ থেকে ২০০৬ মাত্র পাঁচ বছরেই পৃথিবীর বৃহত্তম মানব সৃষ্ট দ্বীপ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে দুবাইয়ের সরকার। তার উদ্দেশ্য ছিল, পর্যটকদের আকর্ষণ সৃষ্টি করা। এবং দুবাই সরকার তাদের এই উদ্দেশ্যে সফলও হয়েছেন। এখানে বেশ কিছু নামীদামী হোটেলের জন্য, বিভিন্ন কারণেই পর্যটকদের জমজমাট দেখা যায়। বর্তমানে এই দুবাই শহরে বিশ্বের ৫০ জন বিলেনিয়ার বাস করেন। তাদের দেশের উন্নতি, সফলতা ইত্যাদির কারণেই এখানে অন্যান্য দেশের নাগরিকদের আকর্ষণ অনেকটাই বেশি। 

সীমানা নিয়ে বিরোধ

দুবাইয়ে এক সময় সীমান্ত নিয়ে বেশ সমস্যার সম্মুখীনও হতে হয়েছিলো। ১৯৫৫ সালের ওমানের সাথে দক্ষিণের একটি অঞ্চলের সাথে আবু ধাবির সমস্যা তৈরি হলে যুক্তরাজ্য আবু ধাবির পক্ষ নেন। এরপর ১৯৭৪ সালে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় যার মাধ্যমে সীমান্ত সমস্যা মেটানো হয়। তবে এই চুক্তিটি আরব আমিরাত সরকার এখনও অনুমোদন করেনি। এবং সৌদি সরকারও এর স্বীকৃতি দেয়নি। ১৯৬৬ সালে ব্রিটিশ সরকার সিদ্ধান্ত নেন তারা বর্তমান আরব আমিরাতকে আর শাসন করতে পারবে না। ব্রিটিশ পার্লামেন্টে এই নিয়ে বেশ বিতর্কের সৃষ্টি হলে বেশ কিছু সাংসদ বলেন রয়াল নেভির পক্ষে শেখ রাজতন্ত্রকে আর রক্ষা করা তাদের সম্ভব না। ১৯৬৮ সালে ২৪ জানুয়ারি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করেন তারা কাতার সহ শেখ রাজত্বের সাথে চুক্তির সম্পর্কের অবসান চায়। একই সিদ্ধান্ত ১৯৭১ সালের মার্চ মাসে প্রধানমন্ত্রী এডওয়ার্ড হিথ পুনরায় জানিয়ে দেন। ১৯৭১ সালের ১ ডিসেম্বর এদের সম্পর্ক সমাপ্ত হলে শেখ রাজত্ব পুরোপুরি স্বাধীন হয়ে যায়। এরপরই আবু ধাবি এবং দুবাইয়ের সাথে আরব আমিরাতের প্রতিষ্ঠা চুক্তি হবে বলে আরও চারটি চুক্তিবদ্ধ দেশ  স্থির করে। এই দেশগুলো হচ্ছে আজমান, শারজা, উম্মুল কুয়াইন এবং ফুজাইরা। এই চুক্তির সময় খসড়া বেশ দ্রুত নির্মিত হয় যাতে ১৯৭১ সালের ২ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন হতে পারে বলে জানা যায়। ১৯৭২ সালের প্রথমদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে যুক্ত হয় রাস আল খাইমা। 

সংস্কৃতি

Image Source: Google

সংযুক্ত আরব আমিরাতে সংস্কৃতি দিয়েও অনেক অনন্য। এরা তলোয়ার নৃত্যের জন্য অনেক জনপ্রিয়। প্রচলিত ইংরেজিতে বলা হয় সোরড ড্যান্স। দুবাইয়ের অধিবাসীদের পুরুষেরা বেশীরভাগই আলখাল্লা, জুব্বা পরিধান করেন এবং নারীরা বোরকা, আবায়া কিংবা অন্যান্য শালীন পোশাক পরেন। দুবাইয়ে শালীন সংস্কৃতির চর্চারও ব্যবস্থা আছে যা অভাবনীয়! দুবাই শহরের অন্যান্য চমৎকার ইতিহাস কিংবা গল্পের সাথে আরও একটি বিষয়ও যুক্ত করা যায়, বুরজ খলিফা। এটি দুবাই শহরে অবস্থিত বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে উচ্চতম অট্টালিকা। এটি উদ্বোধন করা হয় ২০১০ সালের জানুয়ারিতে। একে দুবাই টাওয়ারও বলা হয়। এর উচ্চতা সম্পর্কে জানা যায়, এটি প্রায় ৮২৮ মিটার। বুরজ খলিফার নির্মাণ কাজ শুরু হয় ২০০৪ সালে এবং শেষ হয় ২০০৯ সালে। 

১৮শ শতকের শুরুর দিকে মাছধরার গ্রাম হিসেবে পরিচিতি লাভ করা এই শহর একটা সময় যে এতোটা সফলতা অর্জন করবে এর পেছনে জড়িত ছিল দুবাই শহরের সরকার, মানুষজনের পরিশ্রম, অক্লান্ত প্রচেষ্টা। আর তাই এই শহর মাথা উঁচু করে সারা বিশ্বের বিলাসবহুল এবং উন্নত  শহর হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছে। 

This is a Bangla Article. Here, everything is written about the DUBAI

All links are hyperlinked

Featured image taken from Getty image

Total
3
Shares
Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

 
Previous Article

বিশ্ব সেরা অনলাইন শপিং সাইট অ্যামাজন সৃষ্টির গল্প

Next Article

ওয়াটারগেট কেলেঙ্কারি

 
Related Posts
আরও পড়ুন

পাইলট থেকে ট্রাক ড্রাইভার-এয়ারলাইন ক্যারিয়ার কোভিড-১৯ মহামারী দ্বারা যে ভাবে ধ্বসে গেলো

এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রির সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এবং লাভজনক কর্মজীবনের পথ এখন আর নিশ্চিত নয়। কলিস ওয়াগনার তার ব্যক্তিগত পাইলট লাইসেন্স পেয়েছে।যখন তিনি আর্থিক মন্দার সময় একজন শিল্প প্রকৌশলী হিসেবে চাকরি হারান, তিনি তার শখ পূরণের জন্য পাইলটে যোগ দেন।যেখানে সে…
আরও পড়ুন

মাহেশিন্তে প্রাথিগারাম (২০১৬) : ইন-ডেপথ ক্যারেক্টার স্টাডি, বাটারফ্লাই ইফেক্ট এবং জীবনের বয়ে চলা

মাহেশিন্তে প্রাথিগারাম এর বাংলা অর্থ হলো মহেশের প্রতিশোধ। এটি একটি ভারতীয় মালায়ালাম ভাষার চলচ্চিত্র যেটি কেরালায় মুক্তি পায়…
আরও পড়ুন

লাভ (২০২০) : বুদ্ধিদীপ্ত স্ক্রিপ্টিং, ডার্ক কমেডি, সম্পর্কের টানাপোড়ন এবং ডমেস্টিক ভায়োলেন্সের লেয়ারে মোড়ানো একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার

“তুই যে ওকে খুন করেছিস কতক্ষণ হয়েছে? না মানে আমি জানতে চাচ্ছিলাম কারণ এখন ওর শরীর কাটলে রক্ত…
আরও পড়ুন

রথসচাইল্ড ফ্যামিলি: বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর এক ইহুদী পরিবার

আমেরিকার রথসচাইল্ড পরিবার। ঠিক পরিবার নয়, যেন একটি গুপ্ত সংগঠন। বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ইহুদী এই পরিবারটি অনেকটাই রহস্যময়।…

আমাদের নিউজলেটার জন্য সাইন আপ করুন

আমাদের নতুন খবর গুলো পেতে এখনি সাইন আপ করুন

Sign Up for Our Newsletter